নাজিবুল বাশার:: ইতিহাস ঐতিহ্যখ্যাত লাল মাটির টাঙ্গাইলের মধুপুরের শাল গজারির বন। এক সময় ছিল গভীর অরণ্য। নানা বৃক্ষ পশুপাখির অভয়ারান্য। বন ও ভূমি খেকোদের লোলুভ থাবায়  বন সংকুচনের ফলে কমতে শুরু করে বন্যপ্রাণী। বিভিন্ন প্রল্কপ গ্রহণের ফলে আবারও বাড়ছে বন্যপ্রাণী। বন মোরগ শুকর হরিণ দেখা যাচ্ছে। খাদ্য সংকট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে বন বিভাগ ।  বন বিভাগের জনবল সংকটের কারণে বন রক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে। গত রবিবার বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বন  পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রনালয় এবং টাঙ্গাইল বন বিভাগ এ দিবসের আয়োজন করে। বন বিভাগের জলই বিট অফিস প্রাঙ্গণে আলোচনা সভায় ময়না পাখি অবমুক্ত করে রেলি ও আলোচনা সভার উত্তর টাঙ্গাইলের  সহকারী বন সংরক্ষক আবু সালেহ'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, সহকারি বন সংরক্ষক আশিকুর রহমান, বেরিবাইদ  ইউপি চেয়ারম্যান জুলহাস উদ্দিন, অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদের আব্দুর রহিম, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি  ইউজিন নকরেক, মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি  হাবিবুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা এসএম হাবিবুল্লাহ।

এ সময় স্থানীয় গারো কোচ সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ, সিএমসি,বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী ও সিএফডাব্লিউরা উপস্থিত ছিলেন।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্ম কে  ভালো রাখতে, প্রকৃতি পরিবেশ  বিশ্ব ও বন্যপ্রাণীকুল কে ভালো  রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।  
বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ খাদ্য, আবাসস্থল নিশ্চিত করতে বনে দেশি প্রজাতির গাছ রোপনের করে জবর দখল রোধে সকলে এগিয়ে আসলে বনরক্ষার পাশাপাশি ফিরে আসবে মধুপুর বনের হারানো ঐতিহ্য বন্যপ্রাণীরা ফিরে পাবে নিরাপদ খাদ্য আবাসস্থল এমনটাই ধারণা স্থানীয়দের।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024