দিনাজপুরের খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ পার্বতীপুর উপজেলায় ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপ লাইন রেসিপ টার্মিনালের ভার্চূয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্ভোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১২সালে ভারত সরকারের প্রস্তাবে ২০১৮ সালের ১৮সেপ্টম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পাইপ লাইনে জ্বালানী সরবরাহের সমঝোতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়।২০২২সালে রেসিপ টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও একটু দেরীতে ২০২৩সালের ১৮ মার্চ বিকেল পাঁচটায় পার্বতীপুরের পেট্রোলিয়াম ডিপোতে পাইপ লাইনে জ্বলানি সরবরাহ কার্যক্রমের ভাচূয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্ভধন করেন ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।এসময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ভারত থেকে বাংলাদেশে পাইপ লাইনে ডিজেল সরবরাহের ফলে কৃষি সেচে কৃষকরা সাশ্রয়ী মুল্যে জ্বালানি পাবে।এছাড়াও পরিবহন খরচ বিদ্যুত উৎপাদনে জ্বালানি খরচ ব্যয় অনেক হ্রাস পাবে।যা বছরে প্রায় ৬.৫মার্কিন ডলার আর্থিক সাশ্রয় হবে।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহের ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরো দৃড় হবে।এই ধরনের কার্যক্রমে প্রতিটি সেক্টরের জনগন সরাসরি সুবিধা ভোগ করতে পারবে। ৪৪হাজার মেট্রিকটন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন পার্বতীপুরের রেসিপ টার্মিনাল দৈনিক আটশ থেকে একহাজার জ্বালানি ১৬টি জেলায় সরবরাহ করতে পারবে বলে পেট্রোলিয়াম কতৃপক্ষ জানান। এছাড়াও কতৃপক্ষ আরো বলেন যে বছরে ২লক্ষ মেট্রিকটন ডিজেল সরবরাহ করে ১০বছরে ১০লক্ষ মেট্রিকটন ডিজেল সরবাহ করা সম্বব হবে।এতে কৃষকের কৃষি ব্যয়,বীমা খরচ ও পরিবহন খরচ অনেকাংশ হ্রাস পাবে।ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপ লাইন রেসিপ টার্মিনাল ভারতের সিলিগুড়িতে ৫কিলোমিটার ও বাংলাদেশের ১২৬.৫কিলোমিটার জায়গা জুড়ে স্থাপিত।রেসিপ টার্মিনালটি সম্পূর্ন অটোমেটিক ও কম্পিউটারাইস্ড সিষ্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।তবে মৈত্রী পাইপ লাইন রেসিপ টার্মিনাল যাত্রা শুরুর বমাধ্যমে বাংলাদেশের এক নতুন দীগন্তের উম্নোচন হলো এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো একধাপ এগিয়ে গেলো যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে বলে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জানান।