|
Date: 2022-08-24 10:55:21 |
◾ নিউজ ডেস্ক
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আজ বুধবার থেকে অফিসের সময়সূচি এগিয়ে আনা হয়েছে। সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসের সময় আজ থেকে এক ঘণ্টা এগিয়ে সকাল ৯টার বদলে কাজ শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। এর ফলে সকালের দিকে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
নতুন অফিসসূচির প্রথম দিন সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। বিদ্যুৎ ব্যবহারের পিক আওয়ার দিনের বেলায় চলে এলে একটি ভারসাম্য আসবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেখা যাক, আগামী একটা সপ্তাহ আমরা দেখি। যদি এটা কার্যকর হয়। তাহলে অন্তত বিদ্যুতের ব্যালেন্সটা ঠিক করতে পারব।’
যখন বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, সেই সময়টাই পিক আওয়ার। দেশে বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুতের পিক আওয়ার ধরা হয়। বাকি সময়টা অফ পিক আওয়ার।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগে সকাল ১০টা থেকে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও নতুন অফিসসূচি কার্যকর হওয়ার পর সকাল ৯টা থেকে চাহিদা বাড়া শুরু হয়েছে।
নসরুল হামিদ বলেন, ‘এই মুহূর্তে ডেসকোর রিকোয়ারমেন্ট প্রায় এক হাজারের (মেগাওয়াট) উপরে চলে গেছে। তার মানে সিটির ভেতরে ডেসকো এবং ডিপিডিসির পিক আওয়ার (এমনিতে) থাকে দুপুরে, কিন্তু পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। আমরা চাচ্ছি যে সন্ধ্যা থেকে পিক আওয়ারটা যদি দিনের বেলায় চলে আসে, তাহলে একটা ব্যালেন্স করতে পারব সন্ধ্যা এবং দিনের বেলা ।’
লোডশেডিংয়ের কারণে আমন ধানের সেচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন কৃষকরা। এ ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আরও একটা জিনিস আমরা আজ থেকে নিশ্চিত করতে চাই, মধ্যরাত থেকে সেচ পাম্পের জন্য আগামী ১৫ দিন যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকে। এটি আমার মনে হয় সম্ভব করে ফেলব। এটা আমি বলতে পারি।’
সময়সূচি পরিবর্তনের পাশাপাশি অফিসগুলোতে কর্মঘণ্টাও এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে। বিকাল ৫টার বদলে আজ অফিস ছুটি হয়েছে ৩টায়। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়িয়ে দুই দিন করা হয়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় নানা প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে ব্যয় সশ্রয়ের চেষ্টা করছে সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়ম করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এভাবে আর কতদিন চলবে সাংবাদিকরা তা জানতে চাইলে নসরুল হামিদ বলেন, ‘লোডশেডিং আমরা কমাচ্ছি। লোডশেডিং আমরা দিতে বাধ্য হয়েছি। যেহেতু আমাদের জ্বালানি ও গ্যাস শর্টেজ ছিল। ওই জায়গা থেকে আমরা লোডশেডিং ব্যালেন্স করার চেষ্টা করছি। ব্যালেন্স করে আমরা সাশ্রয় করতে পারছি।’
© Deshchitro 2024