মায়ের ইসালে সওয়াবে মাসব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবেন ডা. ইকবাল হোসেন নিজামী জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলা কমিটিকে বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির অভিনন্দন লাখাইয়ে কৃষক কার্ড ও কৃষি প্রণোদনার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন। স্বৈরাচার এবং গুপ্ত আবার একসঙ্গে হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী মিঠাছড়া বাজারে উমা জুয়েলার্সের উদ্বোধন, ৩ দিন মজুরি ও ভ্যাট ফ্রি কালিগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা নোয়াখালীতে প্রতিদিনের ন্যায় কিশোর গ্যাংবিরোধী আরো আটক ৬৮ জন নিখোঁজের ২১ ঘন্টা পর নওয়াপাড়া ভৈরব নদ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার মানুষের সেবক হয়ে বেঁচে থাকতে চাই: ফাজিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদ আলী পাংশায় জুয়েলারি দোকানে চুরি: ১৫ ভরি স্বর্ণ ও ২২০ ভরি রূপার গহনা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ দৌলতদিয়ার প্রিয় মুখ মোহন মন্ডলের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন গোয়ালন্দে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠন, শপথ গ্রহণ মোংলায় বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালিত শ্যামনগরে চাউলখোলার বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন বর্ণাঢ্য আয়োজনে গুড়পুকুর মেলার উদ্বোধন আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে শেরপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শেরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তির অর্থ, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ পীরগাছায় মাসব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির সমাপনী দিনে ইউনিয়ন জামাতের কর্মী সমাবেশ লালপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ফজলুল হত্যা মামলার আসামি ২৬ বছর পর গ্রেফতার

ফজলুল হত্যা মামলার আসামি ২৬ বছর পর গ্রেফতার







ফজলুল হত্যা মামলার আসামি ২৬ বছর পর গ্রেফতার


নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার অন্তরগত বাণিজ্যিক শহর  চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী ও হক লাইব্রেরীর মালিক ফজুলল হক হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল উদ্দিন (৫৫) কে ২৬ বছর পর রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১।


মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে, সোমবার রাত দেড় টার সময় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আকনগলি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।



গ্রেফতারকৃত জামাল উদ্দিন নোয়াখালী জেলার  বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের মৃত ছাদু মিয়ার ছেলে।


র‌্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত জামাল উদ্দিন ও আবুল হাসেমসহ কয়েকজন মিলে চৌমুহনী রেলস্টেশন রোডের হক লাইব্রেরীর মালিক মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হকের বড় ছেলে ফজলুল হককে মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজি করে কোন সন্ধান পায়নি। একই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি ফজলুল হকের বাবা সামছুল হক বাদী হয়ে সহোদর আবুল হাসেম ও জামাল উদ্দিন কে আসামী করে বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।



মামলার তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ হত্যাকারীররা নিহতদের মরদেহ গুম করেছে বলে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।



২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালতের সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সহোদর আবুল হাসেম ও জামাল উদ্দিনকে বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক শিরিন কবিতা আক্তার যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।



নিহতের ছোট ভাই জিয়াউল হক জানান, রায় ঘোষনার সময় আবুল হাসেম উপস্থিত থাকলেও জামাল উদ্দিন ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল। তাকে গ্রেফতারের জন্য আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিল।


র‌্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, উক্ত চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই আসামি জামাল উদ্দিন নাম পরিচয় গোপন করে আত্নগোপনে চলে যায়। র‌্যাবের সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং ছায়া তদন্তের মাধ্যমে আসাসির পরিচয় শনাক্ত করে এবং গোয়েন্দা দলের তথ্য সংগ্রহপূর্বক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল উদ্দিনকে ২৬ বছর পর গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।



আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেগমগঞ্জ মডেল থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও খবর