◾ইজাজুল হক
সেজদা আল্লাহর অত্যন্ত পছন্দের ইবাদত। কারণ এর মাধ্যমেই আল্লাহর প্রতি বান্দার আনুগত্যের সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটে। এ কারণেই নামাজের প্রতি রাকাতের চূড়ান্ত ধাপে সিজদার বিধান রাখা হয়েছে। সেজদা নামাজে যেমন আছে, তেমনি নামাজের বাইরেও সেজদা একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। সেজদায় গিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে আল্লাহ সেই দোয়া কবুল করেন। মহানবী (সা.) বলেন, ‘বান্দা যখন সেজদায় থাকে, তখন সে আল্লাহর অধিক নিকটবর্তী হয়। অতএব তখন বেশি বেশি দোয়া করতে থাকো।’ (মুসলিম: ৪৮২)
শুধু মানুষই নয়, সৃষ্টিজগতের সকল সৃষ্টিই সেজদা দিয়ে আল্লাহর আনুগত্য করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যা কিছু নভোমণ্ডলে ও ভূমণ্ডলে আছে, তা আল্লাহকে সেজদা করে এবং তাদের ছায়াসমূহও (সেজদা করে) ; সকালে ও সন্ধ্যায়—ইচ্ছায় ও অনিচ্ছায়।’ (সুরা রাদ: ১৫)
এমনকি ফেরেশতারাও মহান আল্লাহর সেজদা করেন। এরশাদ হয়েছে, ‘তারা কি আল্লাহর সৃষ্ট বস্তুসমূহের প্রতি লক্ষ করে না—তাদের ছায়া ডানে ও বাঁয়ে ঢলে পড়ে আল্লাহর প্রতি সেজদাবনত হয় বিনীতভাবে? আসমান ও জমিনে যত প্রাণী আছে, সবই আল্লাহকে সেজদা করে এবং ফেরেশতারাও। আর তারা অহংকার করে না।’ (সুরা নাহল: ৪৮-৪৯)
সেজদাকারীর মর্যাদা আল্লাহর কাছে সবার চেয়ে বেশি। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে সেজদায় কিংবা দাঁড়িয়ে আনুগত্য প্রকাশ করে, আখেরাতকে ভয় করে ও তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে (সে কি তার সমান, যে তা করে না?) ’ (যুমার: ৯)
৪ দিন ৫ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৫ দিন ৫৪ মিনিট আগে
৫ দিন ১০ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৬ দিন ৮ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৬ দিন ২২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
৭ দিন ২০ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
১২ দিন ২০ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে