ইসরায়েলে ভোট আজ, চ্যালেঞ্জের মুখে নেতানিয়াহু জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কুলিয়ারচরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মঘণ্টায় তালা: চরম ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে শরীরে কী ঘটে? ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি চুনতিতে ৪০ বছর পর উদ্ধার বনভূমিতে বৃক্ষরোপণ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ জয়পুরহাটে হত্যা মামলার ২৩ বছর পর মোজাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে মতবিনিময় সভা মারকাজুত তাহফিজ মাদ্রাসার ১৮ সংবর্ধিত হাফেজকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের ঘোষণা, এক বছরে হিফজ সম্পন্নকারীদের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বিমানে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ঝিনাইগাতীর সীডস প্রকল্পের সিবিও নেতৃবৃন্দের দেওয়ানগঞ্জে সিএসএ কার্যক্রম পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় জাবিপ্রবির সার্বিক উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস আশাশুনির গুনাকরকাটিতে বিয়ের ধোঁকায় পড়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা সবজি আনতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্টে নারীর মৃত্যু, মেয়ে আহত শেরপুরের সীডস কর্মসূচির আয়োজনে জামালপুরের উন্নয়ন সংঘে সফর ও মতবিনিময় সভা শ্রীবরদী কারিতাস সিডস প্রজেক্টের উদ্যোগে উন্নয়ন সংঘ, দেওয়ানগঞ্জ সিবিও ভিত্তিক ক্রস লার্নিং ভিজিট অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ধান ক্ষেত থেকে নিখোঁজ ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার

৮৬ শতাংশ কাজ শেষ, সেপ্টেম্বরেই ট্রেন চলবে কক্সবাজারে

দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ ৮৬ শতাংশ শেষ হয়েছে।


সব ঠিকঠাক থাকলে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে সেপ্টেম্বরেই পরীক্ষামূলক ভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে, যদিও বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে ২০২৪ সালের জুন নাগাদ সময় লাগতে পারে।


দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের অদূরে ঘুমধুম র্পযন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ ২০১০ সালে হাতে নেয় সরকার। দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৪ সালের জুনে।


প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ১৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। দুই পর্যায়ে এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ দশমিক ৮৩১ কিলোমিটার সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ করা হবে। আর এই অংশেরই ৮৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।


এই অংশের কাজ শেষ হলে, দ্বিতীয় পর্যায়ে রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত ২৮ দশমিক ৭৫২ কিলোমিটার সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ করার কথা রয়েছে।


দোহাজারী থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার। প্রকল্প নির্মাণে হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীর নির্বিঘ্নে চলাচল করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বর্তমানে দোহাজারী পর্যন্ত রেললাইন আছে। এ কারণে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে বন-পাহাড় নদী পাড়ি দিয়ে রেলপথটি যাচ্ছে কক্সবাজারে।


নয়টি স্টেশন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। এর মধ্যে আছে দোহাজারী, সাতকানিয়া, লোহাগড়া, হারবাং, চকরিয়া, ডুলাহাজরা, ইসলামাবাদ, রামু ও কক্সবাজার। এসব স্টেশনে থাকবে কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলক সিগন্যাল সিস্টেম এবং ডিজিটাল টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম।


দোহাজারী থেকে চকরিয়া এবং চকরিয়া থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথে ৩৯টি ব্রিজ ও আন্ডারপাস সহ ২৫১টি কালভার্ট নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে ৮১ কিলোমিটার অংশে রেলওয়ে ট্র্যাক বসানো হয়েছে।



দোহাজারী-কক্সবাজার রেল লাইন প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম চৌধুরী বলেন, ” প্রকল্পের ৮৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে, সামান্য কিছু কাজ বাকি আছে। আশা করছি, সেপ্টেম্বরের ১৫ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে চট্টগ্রাম তথা ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত একটি ট্রায়াল রান করা হবে। তবে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চালু হতে কয়েক মাস সময় লাগবে।”


প্রাথমিকভাবে দুই জোড়া ট্রেন চললেও পরে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “ঢাকা থেকে যেসব ট্রেন চট্টগ্রাম পর্যন্ত আসে, সেসব ট্রেনের শেষ গন্তব্য হবে কক্সবাজার। এই রুটে সম্পূর্ণ নতুন একটি ট্রেন চালু হবে। কুয়েত থেকে নতুন কোচ আনা হয়েছে। তবে এখনো ট্রেনের নাম নির্ধারণ করা হয়নি।”


প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চালু হলে ঢাকা থেকে কক্সবাজার আসতে সাড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা লাগবে। এসি সিটের ভাড়া ১২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আর নন এসি হতে পারে ৭০০ টাকা।


এদিকে, কক্সবাজারের ঝিনুক আকৃতির স্টেশনটির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। পাঁচ তলা বিশিষ্ট এই স্টেশনে থাকবে শপিং মল, ফুড কর্নার, লকার, কনভেনশন হলসহ ১৭টি বাণিজ্যিক কার্যক্রম। প্রথম দর্শনেই সামুদ্রিক একটা আবহ পাওয়া যাবে এই স্টেশনে।


স্থানীয়রা বলছেন, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ চালু হলে কম সময়ে, কম খরচে আরামদায়কভাবে যাতায়াত করতে পারবেন তারা এতে এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।


অন্যদিকে পর্যটন ব্যবসায় সংশ্লিষ্টদের মত, এই প্রকল্প ঘিরে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে বইছে সম্ভাবনার সুবাতাস। দেশের অর্থনীতির গতি বাড়বে বহুগুণ, হবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা।

Tag
আরও খবর