মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষ চাপে আছে: অর্থমন্ত্রী নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড সুন্দরবনে কয়লাবাহী জাহাজের ধাক্কায় জেলের মৃত্যু রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নোয়াখালীতে আবারও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫ ছেলেকে দেখতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাবা, কারাগারে বাপ বেটা দুজনই দেবহাটায় অভিযানে বিপুল উইনকোরেক্সসহ নারী আটক লাখাইয়ে পুলিশ অভিযানে ১৫পিচ ইয়াবা সহ ৬ মামলার আসামী গ্রেপ্তার। শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিরল প্রজাতির সোনালী হনুমানের মৃত্যু লাখাইয়ে সুতাংনদীর স্তূপীকৃত বালু নিয়ে নানা সমস্যা নিরসনে নেই দৃশ্যমান উদ্যোগ। শিক্ষা-গবেষণায় শিল্প সংযোগে জাবিপ্রবির নতুন উদ্যোগ, ৫টি এমওইউ স্বাক্ষর কুলিয়ারচরের ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও আসছে ‘ওপেন ক্রেডিট’ ও ‘সেপ্টেম্বর সেশন’: ইউজিসি সদস্য অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১ উলিপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা প্রদান সোনার পাড়া ব্লু-গার্ড দল কর্তৃক পরিবেশ রক্ষায় কার্যকরী উদ্যোগ। সাতক্ষীরায় ছুরিকাঘাতে ১৯ বছরের তরুণ নিহত বাগেরহাটের মোংলার ৩৫ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন তা’মীরুল মিল্লাতের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সায়েম! সুন্দরবন সংলগ্ন নীলডুমুর বাজার দূষণমুক্ত রাখতে ব্যবসায়ীদের মাঝে ডাস্টবিন বিতরণ

মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মাঠে নামছে আজ

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 29-12-2023 04:53:25 am

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আজ মাঠে নামছেন সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যরা। তারা নির্বাচনি মাঠে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। ভোট গ্রহণের দুই দিন পর অর্থাৎ আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিন তারা মাঠে থাকবেন। তবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ৩ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। এদিকে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার ৯০৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দিয়েছে ইসি। ঐ ম্যাজিস্ট্রেটরা ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন। ইসি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ হাজার ১৬২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন। এর মধ্যে আচরণবিধি প্রতিপালন দেখভালে রয়েছেন ৭৫৪ জন। আজ থেকে বিজিবি, কোস্টগার্ড, র্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে নামছেন। তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশে কাজ করবেন।


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা, বরিশাল, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও খুলনার ৪৩টি উপকূলীয় ইউনিয়নে কোস্টগার্ড মোতায়েন হচ্ছে। আগের নির্বাচনের মতো এবারও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নামানো হচ্ছে। তারা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান করবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্যান্য অভিযান পরিচালনা করবেন সেনা সদস্যরা। রিটার্নিং বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী সেনাসদস্যরা ভোটকেন্দ্রের ভেতর বা ভোটগণনা কক্ষে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে নৌবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। আগের সব নির্বাচনের চেয়ে এবার দেশীয় পর্যবেক্ষক কম: এদিকে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার ৭৭৩ জন দেশীয় পর্যবেক্ষক অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসির নিবন্ধিত ৮৪টি পর্যবেক্ষক সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ পর্যবেক্ষকেরা আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। গতকাল নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. শরিফুল আলম পর্যবেক্ষকদের এ সংখ্যা জানান। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে ৯৬টি নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থা রয়েছে। ইসি সূত্রে জানিয়েছে, ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত যত নির্বাচন হয়েছে, এবারই সবচেয়ে কমসংখ্যক দেশীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে যাচ্ছেন। নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র, ভোটকক্ষ ও ভোটার বেড়েছে। কিন্তু পর্যবেক্ষকসংখ্যা কমেছে। বড় কয়েকটি রাজনৈতিক দল অংশ না নেওয়ায় পর্যবেক্ষকসংখ্যা কমতে পারে বলে মনে করছে ঐ সূত্র। ইসি জানিয়েছে, এবার নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে ৪০টি পর্যবেক্ষণসংস্থার ৫১৭ জন ও স্থানীয়ভাবে ৮৪টি পর্যবেক্ষণসংস্থার ২০ হাজার ২৫৬ জন ভোট পর্যবেক্ষণ করবে। সব মিলিয়ে পর্যবেক্ষকসংখ্যা ২০ হাজার ৭৭৩ জন। আসনভিত্তিক পর্যবেক্ষকের তালিকা সব রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র আনুমানিক ৪২ হাজার ২৫০টি আর ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ। এর আগে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ৩৪ হাজার ৬৭১ জন দেশীয় পর্যবেক্ষক আবেদন করেন। ঐ নির্বাচনে ৮১টি পর্যবেক্ষকসংস্থার ২৫ হাজার ৯২০ জনকে অনুমতি দেয় তত্কালীন নির্বাচন কমিশন। ২০১৪ সালে ১৪৭টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। বাকি ১৫৩টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হন। ঐ ১৪৭টি আসনে ৮ হাজার ৯০০ জন পর্যবেক্ষক ছিলেন। আর ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার এবং ২০০১ সালে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার পর্যবেক্ষক ছিলেন।


আরও খবর