বগুড়ার আদমদীঘিতে পুলিশের গড়িমসির কারনে বর্মন পরিবারের দশম শ্রেনির এক স্কুল ছাত্রী (১৫) অপহরণ মামলার এজাহাভুক্ত আসামীরা ৫০ দিনেও গ্রেফতার হয়নি। উপড়ন্ত আসামীসহ তাদের লোকজন ভিকটিমকে পুনরায় অপহরণ, এসিড নিক্ষেপ ও মামলার বাদি ও তার পরিবারদের খুন জখমসহ নানা প্রকার হুমকির অভিযোগে আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/১১৭ (৩) ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৩১ মার্চ অপহরণ মামলার বাদিনী মাধবী রানী বাদি হয়ে অপহরন মামলার আসামী মেহেদী হাসান ওরফে রাহেল, ইউপি সদস্য আবুল কাশেমসহ ৫জনের বিরুদ্ধে বগুড়ার নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ক অঞ্চল আদালতে এই মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত বিবাদীদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।
মামলা সুত্রে জানাযায় : আদমদীঘি উপজেলার ছোটচাটখইর হিন্দুপাড়ার বর্মন পরিবারের দশম শ্রেনির এক ছাত্রীকে একই গ্রামের কাশেম মেম্বারের ছেলে মেহেদী হাসান রাহেলসহ তার সহযোগিরা গত ২৫ ফেব্রুয়ারী বেলা ৯টায় একটি অটোচার্জার যোগে বিদ্যালয়ে যাবার পথে আদমদীঘির বোয়ালিয়া নামক স্থানে জোড়পুর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে ছোটচাটখইর গ্রামের মেহেদী হাসান ওরফে রাহেল (১৯) ও তার বাবা নসরতপুর ইউপি সদস্য আবুল কাশেম (৪২) কে আসামী করে আদমদীঘি থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। অপহরণের ৫ দিন পর গত ১মার্চ অপহৃত ছাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করলেও পুলিশের গড়িমসির কারনে ৫০ দিনেও অপহরণকারিদের গ্রেফতার করতে পারেনি।
এদিকে এজাহারভুক্ত আসামী আবুল কাশেম মেম্বারসহ আসামীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ভিকটিমকে পুনরায় অপহরণ, এসিড নিক্ষেপ ও বাদিসহ তার পরিবারের সদস্যদের খুনজখম করে লাশ গুমের হুমকি, জোড়পর্বক অপহরণ মামলাটি আপোস করার জন্য ননজুডিশিয়াল অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে চাপ সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় বাদিনী নিরুপায় হয়ে আদালতে ১০৭ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারি আদমদীঘি থানার উপ পরিদর্শক প্রদীপ কুমার বর্মন বলেন, আসামীদের গ্রেফতার তৎপরতা চলছে।
১ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে