সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের পল্লীতে রাতের আঁধারে আগাছানাশক কীটনাশক দিয়ে ২০ কেজি ধানের চারার এক প্লট বীজতলা ঝলসে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে।
সরেজমিনে রবিবার (১৪ জুলাই) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, পাশাপাশি দুই প্লট জমির ওপর লাগানো ধানের বীজতলার মধ্যে এক প্লট চারা নষ্ট হয়ে রয়েছে। ধানের সবুজ রঙ এর চারাগুলো ধুসর হলুদ রঙ হয়ে মরে যাচ্ছে। বীজতলার ধানের চারার সাথে সাথে ঘাস লতা-পাতাও পুড়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত বীজতলার ও জমির মালিক কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের মৃত জেহের আলী কাগুচীর ছেলে আব্দুর রহমান কাগুচী বলেন, গত মঙ্গলবার আমার ক্রয়কৃত ও দখলকৃত কৃষ্ণনগর মৌজার জমিতে বর্ষার মৌসুমি ধান রোপন করার জন্য ৩১ কেজি বীজ ধান দুই প্লটে ফেলি। কিন্তু গত শনিবার সকালে বীজ তলায় এসে দেখি দুই প্লটের মধ্যে একটি প্লটে পাতার রঙ পরিবর্তন হতে শুরু হয়। আমি কিছু বুঝে না পেরে অন্য কৃষকদের ডেকে দেখালে তারা ধারণা করে এটাতে ঘাস মারা কীটনাশক দিয়া হতে পারে। তারপর পুরাপুরি বুঝতে না পেরে একদিন অপেক্ষা করে দেখি বীজতলায় পাতার রঙ পরিবর্তন হয়ে গেছে। তবে এ ৩১ কেজির মধ্যে ২০ কেজি বীজ ধানের বেডে বা প্লটে ঘাস মারা কীটনাশক দিয়ে সব নষ্ট করে দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এসএ ১৬০ খতিয়ানে ১ একর ৪৩ শতাংশ জমি আমি ২০১০ সাল থেকে ভোগ দখল করছি। কিন্তু কিছু দিন পূর্বে আমার উক্ত জমি থেকে ১ বিঘা জমি জোর পূর্বক দখল করে নেয় কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত বরকতউল্লাহ মোড়লের ছেলে ফজলে মোড়ল গং। সেই থেকে মামলা চলছে। তারই জেরে ফজলে মোড়ল ও তার তিন ছেলে সালাম মোড়ল, আব্দুর রহমান মোড়ল, আব্দুর রউফ মোড়ল, মৃত আনছার আলীর ছেলে জাকির হোসেন এবং তার ছেলে মামুন এ ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড করে আমার ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য ফজলুল রহমান গাজীকে মৌখিক ভাবে জানিয়েছি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে ফজলে মোড়ল গংদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সচেতন নাগরিক কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকতাকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সহযোগিতার জন্য দৃষ্টি আর্কষন করেন তিনি।
১ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে