বগুড়ার আদমদীঘি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপির অফিসে ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অনাধিকার প্রবেশ করে ককটেল বিস্ফোরন. ভাংচুর. অগ্নিসংযোগ, হুমকিসহ ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের সাবেক এমপি, তার বাবা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, তার মা জেলা পরিষদ সদস্য ও মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মনজু আরা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানসহ ১২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২৫০জনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইন তৎসহ বিস্ফোরক উপাদানবলী আইনে আরো একটি মামলা হয়েছে। গত রোববার (২৫ আগষ্ট) রাতে আদমদীঘি উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি কুসুম্বী গ্রামের মিজানুর রহমান বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত ২০ আগষ্ট সান্তাহার যুবদল অফিসে হামলা ও অগ্নিসংাযোগ সংক্রান্ত ঘটনায় ১২৭জন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মিদের বিরুদ্ধে অপর একটি মামলা হয়।
মামলা সুত্রে জানাযায়, গত ৪ আগষ্ট বেলা ১১টার দিকে আদমদীঘিতে বৈষম্যবিরোধী শান্তিপুর্ন ছাত্র আন্দোলনকে ঠেকাবার জন্য উল্লেখিত আসামীরা ককটেল, পেট্রোল শাবল ও লাঠি সোডাসহ ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন উস্কানিমুলক স্লোগান দিয়ে আদমদীঘি সদরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত বিএনপির অফিসের সামনে এসে ককটেল নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্ঠি করে। এসময় বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মিরা নিরাপদ দুরন্তে চলে গেলে হামলাকারিরা বিএনপি অফিসে প্রবেশ করে দরজা জানালা ভাংচুর, চেয়ার, কাঠের আলমারী, ফ্যানসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ও শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিলা ও তারেক রহমানের ছবি ঘর থেকে বের করে তাতে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিগ্নসংযোগ করে পুড়ে ফেলে। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে এজাহারে দাবী করা হয়।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ রাজেশ কুমার চক্রবর্তী মামলা দায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে