ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ে আট শতাধিক ব্যক্তি নিহত এবং হাজারাধিক আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত বাহিনীর হাতে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে, এমনকি ঘরে থাকা শিশুরাও গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৫০ জন সদস্যও নিহত হয়েছেন এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল এসব ঘটনার তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে। দলটি শনিবার থেকে কাজ শুরু করবে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে জাতিসংঘের এই দল কাজ করবে এবং তাদের পূর্ণ সহযোগিতা দেবে সরকার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বা পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে তারা তাদের কাজ শুরু করবেন।
জাতিসংঘের প্রতিনিধিদলের মধ্যে একটি টেকনিক্যাল টিম থাকবে, যা ফরেনসিক, আইন এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত। কর্মকর্তা জানান, এটি বাংলাদেশের জন্য প্রথম অভিজ্ঞতা, তাই আমাদের খুব সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
জাতিসংঘ দলের কর্মপরিধি সম্পর্কে জানা গেছে, তারা জুলাই ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর তদন্ত করবে। তারা এই ঘটনাগুলোর কারণ (রুট কজ) পর্যালোচনা করবে এবং ন্যায়বিচার ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, সে সম্পর্কে সুপারিশ করবে।
৩৮ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
১৫ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে