বগুড়ার আদমদীঘিতে পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে পেনশনের টাকা ফেরত পাওয়ার তদন্ত করতে এসে কাশেম আলী (২৫) নামের এক ভুয়া সেনা বাহিনীর একজন সদস্য পরিচয়দানকারী যুবককে আটক করে সেনাবাহিনী ও পুলিশে সোর্পদ করেছে জনতা। গত রবিবার (১ ডিসেম্বার) রাতে উপজেলার নশরতপুর ইউপির চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফার মুরইল বাজার অফিস কক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত কাশেম আলী সিলেট জেলার গোপালগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ভাগ তেরাগুলি গ্রামের মিদ্দিন আলীর ছেলে। এঘটনায় আদমদীঘির পুশিন্দা সরদারপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা বাহিনীর সদস্য ফারুক আহমেদ বাদি হয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
জানাযায়, গত রোববার রাত ৮টায় আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফার মুরইল বাজার অফিস কক্ষে তার সাথে অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সদস্য ফারুক আহমেদ গল্প করার সময় কাশেম আলী নামের ওই যুবক নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে তাদের একটি ছবি দেখিয়ে বলেন এই লোক পুলিশ বাহিনীতে চাকুরী করতো। সে মারা যাবার পর তার স্ত্রী পেনশনের কিছু টাকা পেয়েছে। অবশিষ্ট টাকা দেয়ার জন্য আমি তদন্ত করতে এসেছি। তদন্ত শেষে সে পেনশনের টাকা পাবে। এমন কথায় তাদের সন্ধেহের সৃষ্টি হলে কাশেম আলীকে নানা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে সে সঠিক উত্তর দিতে ব্যর্থ হয় এবং নিজে সেনাবাহিনীর সদস্য নয় বলে স্বীকার করে। পরে তাকে আটক করে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে ও থানায় খবর দেন।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম মোস্তাফিজুর রহমান জানায়, আজ সোমবার গ্রেপ্তারকৃত ভুয়া সেনা সদস্য পরিচয়দানকারি কাশেম আলীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।