*ভোটার হালনাগাদ নির্ধারিত সময় শেষ হলেও ভোটার হতে পারেনি অনেকেই।
* বাড়ি বাড়ি যায়নি তথ্য সংগ্রহকারী।
*বেশি বিপাকে পড়ছেন জন্মসনদে নাম সংশোধন নিয়ে।
*অনলাইন বিড়ম্বনায় বলছেন জনপ্রতিনিধিরা।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত সময় অনুযায়ী ৩ ফেব্রুয়ারী সোমবার শেষ হলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদ। কিন্তু শেষ দিনেও কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে শতশত মানুষের ভিড় ভোটার হওয়ার জন্য, বিভিন্ন কাগজপত্র নিয়ে দৌড়ের মধ্যে রয়েছে তারা। জমির খতিয়ান,জন্ম নিবন্ধন, পারিবারিক সনদ,মা বাবার আইডি, ভাই বোনের আইডি, ছবি সম্বলিত সীল সহ চেয়ারম্যান সনদ এবং বেশ কিছু ডকুমেন্ট যা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন মানুষ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদ করার কথা থাকলেও ভোটার তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়িতে যায়নি এমন অভিযোগ করেন অনেকেই।
বেশি বিপাকে পড়ছেন নাম সংশোধন নিয়ে, দেখাযায় ইউনিয়ন পরিষদে বেশির ভাগই সংশোধনের জন্য এসেছেন মানুষ। ২০০৭- ২০০৮ সালে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে ছয়বার।২০০৯-২০১০সাল ২০১২-২০১৩ সাল ২০১৫-২০১৬ সাল,২০১৭-২০১৮ সাল ২০১৯-২০২০ ও ২০২২-২০২৩ সালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইসি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোমবার উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ এবং বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করার মতো, সবারই দৌড় ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করা।
উপজেলার একাধিক জনপ্রতিনিধিরা জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের ভিড় রয়েছে, জন্ম নিবন্ধন, জাতীয়তা সনদ, পারিবারিক সনদ নিতে আসছে সবাই। এছাড়াও সংশোধনী আবেদন রয়েছে প্রচুর, ভোটার হওয়ার জন্য বিভিন্ন কাগজপত্র নিতে সবাই একসাথে আবেদন করায় একটু ঝামেলা হচ্ছে। সবকিছু দেখেই সীল সাক্ষর দিচ্ছি যাতে রোহিঙ্গারা ভোটার হতে না পারে।
উত্তর ধুরুং ইউনিয়নে হালনাগাদ ভোটার কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রকারী মাস্টার মফিজুল আলম বলেন, নতুন ভোটার হতে আগ্রহীদের বাড়িতে গিয়ে একবার প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র সংগ্রহ করতে বলা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন থাকলেও কিউআর কোড কপি ছাড়া ভোটার করা যাচ্ছেনা। এটি সংশোধনী আবেদন করে ফের পরিষদে যেতে হচ্ছে। এধরণের ভোগান্তিে অনেকেই ভোটার হতে পারবে না।
দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফুরকানুল ইসলাম বলেন, অনলাইন আবেদনের পর আবার বেশ কয়েকটি সনদ অনলাইন থেকে বের করতে হয়। সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনা দেখা দিচ্ছে জন্মনিবন্ধনের কিউআর কোড সম্বলিত কপি বের করতে। বাংলায় জন্মনিবন্ধনটি সংশোধনের আবেদন করে কপি বের করতে হচ্ছে। যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিফল হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: নুরুল ইসলাম বলেন, অনলাইন জন্মনিবন্ধন ও জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন ভেরিফাইড কপি সংগ্রহ করে দিলেও ভোটার হতে পারবে। তবে গত ১৫দিনে উপজেলায় ৫হাজার ৫৯৯ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যু ভোটার সংখ্যা বাদ যাচ্ছে ২হাজার ৩৯০জন, এনিয়ে হবে কুতুবদিয়ার ভোটার ১লাখের বেশি। ২০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ভোটার হালনাগাদ কাজ চলমান ছিল। সোমবার শেষ হয়েছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ। তিনি আরো বলেন সময় শেষ হয়ে গেলেও সব ডকুমেন্টস দিয়ে সারা বছর ভোটার হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সঠিক কাগজপত্র নিয়ে ভোটার হতে পারবেন তবে রোহিঙ্গারা যেন ভোটার হতে না পারে সে দিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। কেউ যদি রোহিঙ্গা দের ভোটার হওয়ার জন্য সহায়তা করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্হা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
৭ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে