ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি রাজনীতি-আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে রাষ্ট্রসংস্কার জিম্মি: টিআইবি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আল-আমিন হোসেনের লেখা কবিতা "মেঘকন্যা" নাগেশ্বরীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আজিজুল হক অভয়নগরে পুড়াখালী তা'লিমুল কুরআন মাদ্রাসায় কুরআনের পাখিদের সবক অনুষ্ঠিত সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে চন্দনাইশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন লাখাইয়ে ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত রোমান মিয়া গ্রেফতার। মোটরসাইকেলের সামনেও বসাতে হবে নম্বরপ্লেট, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর সর্বদা পাশে থেকে সহোযোগিতার আশ্বাস এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের শ্যামনগরে উপজেলা অভিযোজন পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত। লোহাগাড়ায় ব্যবসায়ী অপহরণ, স্বামীকে ফেরত চান স্ত্রী দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় দুই আসামি আটক শেরপুরে তথ্য অধিকার ও সেবাপ্রাপ্তি বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত মা ইলিশ রক্ষায় পদ্মায় রাতভর যৌথ অভিযান, ১ লাখ ১০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ এ আর গ্রুপের উদ্যোগে ১২ কিলোমিটার মর্নিং রান অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় সৎ ভাসুর ও ভাতিজাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল মহাসপ্তমী: শক্তি, প্রকৃতি ও মানবতার আরাধনা--সচ্চিদানন্দ দে সদয় সারিয়াকান্দিতে পূজামণ্ডপ ও অসচ্ছল মন্দিরে জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান

ডিমের পিকআপে ডাকাতি: গ্রেফতার ৬ ডাকাত

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 13-08-2022 09:03:31 am

ফাইল ছবি


নিউজ ডেস্ক :


দেশে ডিমের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া। যার হালি ছাড়িয়েছে ৫০ টাকা। এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জে ২৫ হাজার ডিমবোঝাই পিকআপ ভ্যানে ডাকাতির খবর এসেছে। এরই মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। একই সঙ্গে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি বাস ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা হয় সেই পিকআপটি।


শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।


গ্রেফতাররা হলেন ডাকাত দলের সরদার মুসা আলী (৪০), নাঈম মিয়া (২৪), শামিম (৩৫), রনি (২৬), আবু সুফিয়ান (২০) ও মামুন (২৪)। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাপাতি, দুটি চাইনিজ কুড়াল, একটি ছোরা ও একটি বাস জব্দ করা হয়।


র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, শুক্রবার (১২ আগস্ট) রাতে রূপগঞ্জের ভুলতা গোলাকান্দাইল এশিয়ান হাইওয়েতে র‌্যাব-১১ এর একটি দল টহল দিচ্ছিল। এসময় একটি ডিমবোঝাই পিকআপের সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে তাকে থামান র‌্যাব সদস্যরা। তখন পিকআপ থেকে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তারা ডাকাতির উদ্দেশ্যে ‘যুব কল্যাণ এক্সপ্রেস লিমিটেডে’র একটি বাস নিয়ে এশিয়ান হাইওয়েতে ডিমের পিকআপের পিছু নেয়। একপর্যায়ে ভুলতা-রূপসী সড়কে পিকআপটির সামনে গিয়ে বাস দিয়ে পথরোধ করে। এরপর পিকআপের চালক ও তার সহকারীকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক পিকআপটি নিয়ন্ত্রণে নেয় ডাকাতরা। এসময় তাদের আরেকটি দল পিকআপের চালক ও সহকারীর হাত-পা বেঁধে মারপিট করে বাসে উঠিয়ে নেয়।


এরপর ডাকাত দলের সরদার মুসা ও তার প্রধান সহকারী নাঈম পিকআপটি নিয়ে গাউছিয়া-মদনপুরমুখী রাস্তায় নিয়ে যায়। আর ডাকাত দলের বাকি সদস্যরা পিকআপের চালক ও হেলপারকে বাসে করে মদনপুরের দিকে নিয়ে যায়।



কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ডাকাতদের দেওয়া তথ্যে পিকআপের চালক ও হেলপারকে উদ্ধারে মদনপুর যায় র‌্যাব। সেখানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে জব্দ করা হয় বাসটি। এসময় ডাকাতদলের সদস্যরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তাদের মধ্যে র‌্যাব সদস্যরা ছয়জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। আর বাকি ৪-৫ জন বাস থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যান। এরপর বাসের ভেতর থেকে পিকআপচালক ও তার সহকারীকে উদ্ধার করা হয়।


র‌্যাব জানায়, এই ডাকাত দলটি বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন মহাসড়কে ডাকাতি করে আসছিল। তারা পেশায় কেউ পোশাককর্মী, কেউ গাড়িচালক, হেলপার আবার কেউ রাজমিস্ত্রি ও কাপড়ের দোকানের কাটিং মাস্টার। দিনে নিজ নিজ পেশায় থাকলেও বিভিন্ন সময় তারা সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেন।


তিন গ্রুপে ভাগ হয়ে ডাকাতি


প্রথম গ্রুপ: এই গ্রুপটি ডাকাতির জন্য বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রাক ও যানবাহনের তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর ডাকাতির জন্য স্থান নির্ধারণ করে।


দ্বিতীয় গ্রুপ: এই দলটি বাস নিয়ে মহাসড়কে সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান নেয়। এরপর ডাকাতির জন্য টার্গেট করা পণ্যবাহী যানের পিছু নেয় তারা। পরবর্তীতে সুবিধাজনক স্থানে গিয়ে পণ্যবাহী যানটিকে বাস দিয়ে গতিরোধ করে ডাকাতি করে।


তৃতীয় গ্রুপ: এই দলটির নেতৃত্ব দেন ডাকাত দলের প্রধান মুসা। তিনি ডাকাতি করা পণ্যবাহী যানটি চালিয়ে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যান এবং মালামাল আনলোড করেন। এর মধ্যে পণ্য বিক্রি করতে ব্যর্থ হলে সেগুলো কোনো নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।


জিজ্ঞাসাবাদে মুসা জানান, তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগে ডাকাতির মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাভোগও করেছেন তিনি।


র‌্যাব জানায়, গ্রেফতার শামিম ডাকাত সর্দার মুসার প্রধান সহযোগী। তিনি ডাকাতির সময় বাসটি চালান। ২০০৬ সালে স্ত্রীর হত্যার দায়ে সাত বছর কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।


অন্যদিকে গ্রেফতার রনি ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বাসচালকের হেলপার। আর নাঈম পেশায় একজন গাড়িচালক। গ্রেফতার মামুন স্থানীয় একটি সেলাই কারখানায় কাটিং মাস্টারের কাজ করেন।


ডাকাতির কাজের জন্য বাসটি তারা কীভাবে পেলেন- এমন প্রশ্নে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, চক্রটি মালিকের কাছ থেকে বাসটি নিয়ে গত দেড় বছর ধরে ডাকাতি করে আসছিল। কিন্তু বাস মালিক জানতেন না তার বাস দিয়ে যাত্রী পরিবহন না করে ডাকাতি হয়। তবে বাসের সব কাগজপত্র ঠিক ছিল।

আরও খবর