মাগুরায় গার্মেন্টস মালিকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট, হুমকির মুখে গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান
মাগুরায় গার্মেন্টস মালিকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট, হুমকির মুখে গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান
মাগুরার শ্রীপুরে স্টাইলস্মিথ স্যান এ্যাপারেলস্ লিমিটেড এর মালিকদের বাড়িতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এলাকাটিতে।
সোমবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যা ৭.৩০ টার দিকে অর্ধশতাধিক দুষ্কৃতিকারীর হামলা চালায় বলে জানিয়েছে বাড়িটির সিকিউরিটি গার্ড ও মালিকপক্ষ।
হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গার্মেন্টস শ্রমিক বদিয়ার রহমান বলেন, স্টাইলস্মিথ স্যান এ্যাপারেলস্ লিমিটেড এ মাগুরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী অঞ্চলের ৪-৫ হাজার মানুষের রুটি-রুজির মূল হাতিয়ার। এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমাদের এতগুলো পরিবার চালায়। তবে মাঝে মাঝেই আমরা দেখি আমাদের মালিকদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে। এতে গার্মেন্টস বন্ধের পায়তারাও করা হচ্ছে। আমরা চাই এরকম। ঘটনা যারা ঘটাচ্ছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। সেটি না হলে আমরা শ্রমিকেরা রাজপথে নামতে বাধ্য হবো এই প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখার জন্য।
স্টাইলস্মিথ স্যান এ্যাপারেলস্ লিমিটেড এর স্বত্বাধিকারী হারুক আহম্মেদ জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা থেকে রফিকুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম মিয়া, ফারুকুজ্জামান ফারুকসহ আমরা ৫ ভাই বউ, ছেলে-মেয়ে নিয়ে নিজ বাড়ি শ্রীপুরের আমতৈল গ্রামে আসি। ঘটনার সময় ঈদের দিন হওয়ায় ঈদের নামাজ শেষে আমতৈল বাজারে সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ত ছিলাম আমি ও আমার ভাইয়েরা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় খবর পাই কিছু দুষ্কৃতিকারী ঢাল, সড়কি, বল্লব, ইট পাটকেল নিয়ে আমাদের বাড়িতে এ্যাটাক করেছে। আমাদের বাড়িতে অনেক সোনাদানা, নগদ অর্থকরী ও অনেক গাড়ী ছিলো সেগুলো লুটতরাজ করার উদ্দেশ্যে তারা ৪০-৫০ জন আমাদের বাড়িতে এ্যাটাক করে। ঐ সময় আমরা আমাদের বাড়ির পিছন দিক দিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে তাদেরকে প্রতিহত করার চেষ্টা করি এবং আমার লাইসেন্সকৃত বন্দুক দিয়ে ফাকা গুলি ছুড়ি। তখন দেখতে পায় ইস্কট, লিপ্টন, টিটো দুষ্কৃতকারীদের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
এ ঘটনায় শ্রীপুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) ইদ্রীস আলী জানান, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।