আশাশুনির নাকতাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের নাজুক অবস্থায় জীবন শংসয় বাঘায় দু'টি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও তাজা গুলিসহ এক নারী আটক শ্যামনগর ভয়েস অব সিটিজেন্স কমিটির অর্ধ-বার্ষিক সভা লাখাইয়ে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ৯০পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। ১০ দিনেও খোঁজ মেলেনি ফোরকানের ‎যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন অর্ধেকে জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের সংকটের শঙ্কা ‎ প্রাণবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন উপকূলের চন্দনা রানী সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের সমস্যা দ্রুতই সমাধান হবে: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান মানবতার আহবান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২য় ধাপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া কালিশংকরপুর হাইফ্লায়া পিজন ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত, বিজিবির দাবি ১ আদানির বন্ধ ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরছে আজই আ. লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ আসন্ন ইউপি নির্বাচনে কুলিয়ারচরের সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা কুষ্টিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল পীরগাছায় SNK DREAM Foundation-এর উদ্যোগে জার্সি ও ফুটবল বিতরণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান আত্মসমর্পণ করবে না হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখবেন যেভাবে সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত চরবংশী ইউপি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন ফারুক কবিরাজ

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হলের ডাইনিং এ খাবার খেলেন পবিপ্রবি উপাচার্য ‎


‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও আবাসিক হলের বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণে বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতে হঠাৎ করে কেরামত আলী হলে পরিদর্শনে যান।

‎প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. এস. এম. হেমায়েত জাহান, হল প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট, বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন। উপাচার্য হলে প্রবেশ করেই একাধিক রুমে গিয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসন পরিস্থিতি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও খাবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

‎পরিদর্শনের সময় উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তিনি তাঁদের চলমান সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় প্রতিকার দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। বিশেষ করে সিট বরাদ্দ, পানি সংকট, ওয়াশরুম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিয়ে উঠে আসে শিক্ষার্থীদের একাধিক প্রশ্ন।

‎একপর্যায়ে উপাচার্য হলের ডাইনিংয়ে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একই সারিতে বসে রাতের খাবার খান। উপাচার্যের এ ধরনের সরলতা ও আন্তরিক আচরণে আবাসিক শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত হন।

‎শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তোমাদের প্রতিটি অভিযোগ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব সমস্যার সমাধান করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।’

‎উপাচার্যের এই ঘনিষ্ঠতা ও অংশগ্রহণমূলক প্রশাসনের নজির হিসেবে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান। পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন তুহিন বলেন, ‘উপাচার্য স্যার যেভাবে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাতে বোঝা যায় তিনি শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো আন্তরিকভাবে নিতে চান। আমরা আশাবাদী, দ্রুত সমাধানও মিলবে।’

‎হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. রিয়াজ মাহমুদ বলেন, একটি প্রশাসনের আন্তরিকতা কেবল অফিস রুমে বসে কাজ করলেই হয় না, বরং মাটির কাছাকাছি গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিশে সমস্যা বোঝার মাধ্যমেই প্রকৃত নেতৃত্ব প্রকাশ পায়। উপাচার্যের এই হল পরিদর্শন তার একটি উদাহরণ হয়ে থাকল।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন সফরের ফলে শুধু শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনই নয়, বরং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণেও বাস্তবধর্মী রূপরেখা তৈরি হবে।

আরও খবর