ভারতকে হারিয়ে শ্রীমঙ্গলের পৈতৃক বাড়িতে শমিত সোম
টানা ২২ বছর পর ভারতের বিরুদ্ধে জাতীয় দলের জয়ে অবদানের পরে শ্রীমঙ্গলের পৈতৃক বাড়িতে উৎসবে মাতলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড় শমিত সোম।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান এই ফুটবলার বুধবার (১৯ নভেম্বর) সরাসরি সকাল ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গলের দক্ষিণ উত্তরসুরে পৈতৃক বাড়িতে পৌঁছান। গ্রামের বাড়িতে উপস্থিত স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের ঢেউ তৈরি করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উষ্ণভাবে স্বাগত জানান এবং পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।
কানাডায় জন্ম নেওয়া এই আন্তর্জাতিক ফুটবলার জাতীয় দলের কাছে ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মঙ্গলবার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়ে শমিতের অবদান প্রশংসিত হয়।
শমিত সোম সাংবাদিকদের জানান, বাড়িতে ফিরে পরিবারের সান্নিধ্যে আনন্দ পেয়েছেন। তিনি বলেন, “বাড়িতে এসে সত্যিই ভালো লাগছে। পরিবারের ভালোবাসা সব ক্লান্তি দূর করেছে। ভারতের সঙ্গে এই জয় আমাদের জন্য বিশেষ মুহূর্ত।” তিনি ছোটবেলার খেলার স্মৃতিচারণা করে বলেন, “ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলা খেলেছি, এখন জাতীয় দলের অংশ হিসেবে খেলতে পারা একেবারে ভিন্ন অনুভূতি।”
শমিতের পৈতৃক বাড়িতে স্থানীয়রা ফুল, ব্যানার ও সাজসজ্জা দিয়ে তাকে বরণ করেন। তার দাদু মানিক সোমও ছিলেন ফুটবলার। শমিত সোমের বাবা মানস লাল শোম ও চাচা মুক্তিযোদ্ধা মোহন লাল শোম শ্রীমঙ্গলের সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব।
শমিত বলেন, “দলের সব খেলোয়াড়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দারুণ। দলের কম বয়সী খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে জাতীয় দলের বড় ভরসা হবে। বাংলাদেশের ফুটবল আরও ওপরে উঠবে।”
শমিত সোম আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় মানসিকতার জন্য দেশের গর্ব হিসেবে পরিচিত।