রায়পুরে খাল থেকে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত শরিফুল আলম চৌগাছায় গতিরোধ করে যুবককে কুপিয়ে জখম: সংকটাপন্ন অবস্থায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর ভোট শেষে সৌহার্দ্যের 'যশোর মডেল': প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঘরে অমিতের বন্ধুত্বের ডাক শৈলকুপাবাসীর আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাড. আসাদুজ্জামান সুন্দর ও উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিতে পেরে আমি আনন্দিত :- অধ্যাপক ডাক্তার কামাল উদ্দীন। চট্টগ্রাম ১৫ আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটে দাঁড়িপাল্লা জয়যুক্ত। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আসনগুলোতে জিতলেন যারা এদের তো ভোট নাই, এত ভোট ওরা পেল কীভাবে: মির্জা আব্বাস যশোরে ভোটের পর উত্তাপ: জামায়াতের ‘হামলার’ অভিযোগ, বিএনপির অস্বীকার গণভোটে পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ ভোট, জিতেছে ‘হ্যাঁ’ দিনাজপুরে ৬টি আসনের ৫টিতেই ধানেরশীষর নিরঙ্কুশ বিজয়,একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাঘায় শিবির সভাপতির বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ওলুটপাটের অভিযোগ যশোর-৪ ও ৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল ও এ্যাড. গাজী এনামুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুরের দুইটি আসনে ভিন্ন দলের জয়: শেরপুর-১ এ জামায়াত, শেরপুর-২ এ বিএনপি বাবার কবরে নবনির্বাচিত এমপি অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: কারবালা কবরস্থানে নেতাকর্মীদের ঢল বিএনপি প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ভূমিধস জয় পেলেন আনোয়ারুল ইসলাম ঐতিহাসিক বাহাদুরপুরে জুমার জামাতে হাজারো মুসল্লির ঢল সাংবাদিক রাজীব সরকারের বাবা আর বেঁচে নেই ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নবাবের নিজ কেন্দ্রে জিতেছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক !

সুষ্ঠু ভোট হলে ৪০ থেকে ৭০টি আসন পাব: শামীম হায়দার পাটোয়ারী

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 12-01-2026 12:40:05 pm

সুষ্ঠু ভোট হলে ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৪০ থেকে ৭০টি আসন পাবে বলে আশা করেছেন দলটির একাংশের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি বলেছেন, ‘ভোটের মাঠ অত্যন্ত ফ্লুইড (অনিশ্চিত)। যদি সুষ্ঠু ভোট হয়, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে, আমি মনে করি ৪০ থেকে ৭০টি আসন পাব।

আমরা মনে করি যে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীর কমফোর্ট খুব বেশি প্রয়োজন।

যারা নির্বাচন করে তারা জনস্বার্থে নির্বাচনে আসে। আমরা দেখেছি তুচ্ছ ভুলের কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।’
 
গতকাল রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রার্থীদের আপিলের শুনানিতে এসে গণমাধ্যমের কাছে এ কথা বলেন তিনি।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, গতকাল (শনিবার) দলের ১৩ প্রার্থী মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

এর মধ্যে ১১ জনের আপিল গ্রহণ হয়েছে, দুজনের নামঞ্জুর হওয়ায় তারা উচ্চ আদালতে যাবেন। আজ (রবিবার) পর্যন্ত কুমিল্লা-১ আসনের সৈয়দ মোহাম্মদ ইফতেকার আহসান ও বগুড়া-২ আসনের মো. শরিফুল ইসলাম জিন্নার আপিলও গ্রহণ করা হয়েছে। জাপা মহাসচিব বলেন, আজ (রবিবার) আরো চারটি এবং আগামীকাল (সোমবার) ছয়–সাতটি আপিল শুনানি হবে। আপিল ট্রাইব্যুনাল কারিগরি ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছে, ফলে আরও প্রার্থী নির্বাচনে ফিরে আসতে পারছেন।

শামীম হায়দার বলেন, ১২–২৯ ডিসেম্বর দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ থাকায় অনেক প্রার্থী সময়মতো মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। অতীতে ছোটখাটো ভুল রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংশোধনের সুযোগ দিতেন, এবার তা হয়নি। রিটার্নিং কর্মকর্তারা মবের ভয় ও ট্যাগিংয়ের কারণে ইতিবাচক বিবেচনা করতে পারেননি, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাধা।
 
তিনি বলেন, ব্যাপক হারে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক হারে পুলিশ মোতায়েন, প্রশাসনকে দৃঢকরণ না করলে আমরা একটা ফলহীন-মানহীন ইলেকশনের দিকে যেতে পারি। ভবিতব্য সরকার যারা হবে, তাদেরও বুঝতে হবে যে মানহীন একটি নির্বাচনের সরকার যদি গঠিত হয়, তাদের ম্যান্ডেট ঘাটতি হবে।

তারা দেশ চালাতে হোঁচট খাবে। অর্থাৎ এখন এখানে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন। সকল দলই একত্রিত হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে যাবে। সকলেই সকলকে স্পেস দেবে। আমরা মনে করি এ রকম একটি সমঝোতা আলোচনা প্রত্যেক নির্বাচনের আগেও হয়েছে। জাপা মহাসচিব বলেন, আজ (রবিবার) আরো চারটি এবং আগামীকাল (সোমবার) ছয়–সাতটি আপিল শুনানি হবে। আপিল ট্রাইব্যুনাল কারিগরি ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছে, ফলে আরও প্রার্থী নির্বাচনে ফিরে আসতে পারছেন।

শামীম হায়দার বলেন, ১২–২৯ ডিসেম্বর দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ থাকায় অনেক প্রার্থী সময়মতো মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। অতীতে ছোটখাটো ভুল রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংশোধনের সুযোগ দিতেন, এবার তা হয়নি। রিটার্নিং কর্মকর্তারা মবের ভয় ও ট্যাগিংয়ের কারণে ইতিবাচক বিবেচনা করতে পারেননি, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাধা।
 
তিনি বলেন, ব্যাপক হারে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক হারে পুলিশ মোতায়েন, প্রশাসনকে দৃঢকরণ না করলে আমরা একটা ফলহীন-মানহীন ইলেকশনের দিকে যেতে পারি। ভবিতব্য সরকার যারা হবে, তাদেরও বুঝতে হবে যে মানহীন একটি নির্বাচনের সরকার যদি গঠিত হয়, তাদের ম্যান্ডেট ঘাটতি হবে।

তারা দেশ চালাতে হোঁচট খাবে। অর্থাৎ এখন এখানে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন। সকল দলই একত্রিত হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে যাবে। সকলেই সকলকে স্পেস দেবে। আমরা মনে করি এ রকম একটি সমঝোতা আলোচনা প্রত্যেক নির্বাচনের আগেও হয়েছে। জাপা মহাসচিব বলেন, একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রয়োজন। দেশে বর্তমানে আমরা বলব কিছুটা বিএনপি-জামায়াতের সরকার বিদ্যমান। কারণ তাদের লিস্ট অনুযায়ী প্রশাসন সাজানো হয়েছে। সেখান থেকে নিরপেক্ষতার সরকার নিরপেক্ষতার প্রশাসন তো দেখাতে হবে। নির্বাচন কমিশনকেই দেখাতে হবে। কমিশনের এখনই উচিত প্রশাসনকে রদবদল করা। প্রশাসনের যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাদের ট্রান্সফার করা এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের পরিবেশ সৃষ্টি করা।
 
 
 
Tag
আরও খবর