তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সাব্বির আহমেদ রনিকে চেয়ারম্যান করে BJUS-এর ২২ সদস্যের বোর্ড কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে হাইতকান্দি ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থী ঘোষণা চিলাহাটির পূজামণ্ডপে অনুদান বিতরণ ডোমারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আনসার কম্যান্ড্যান্ট নাঙ্গলকোটের ৬নং মক্রমপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক শিপন নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি হোসেন আলী আবারও গ্রেফতার মিরসরাইয়ে ১৩তম বিজলী শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পেল ৭৭ শিক্ষার্থী উৎসবমুখর পরিবেশে হাতিয়ায় ফারিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত বরিশালের দক্ষিণ চকবাজার ও ফজলুল হক এভিনিউয়ে বিসিসির মোবাইল কোর্ট অভিযান সাংবাদিক আলিফ হত্যা: বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে চৌদ্দগ্রামে মানববন্ধন আজ প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন পীরগাছায় নেকমামুদ আপডেট পাবলিক স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ তবকপুর বাজার আলোকিত শিশু কন্ঠ পরিষদের উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত উলিপুরে কিশোরপুর ওসমানী বেইজ একাডেমির উদ্যোগের মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুর্গোৎসব: পূজার আড়ালে যে মানবতার পাঠ জয়পুরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-৫ অধিনায়ক, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ

লোহাগাড়ায় পাহাড় ও টপসয়েল কাটা থামবে কবে? ধ্বংসের মুখে ফসলি জমি, হুমকিতে কৃষি ও পরিবেশ।

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম। 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় নির্বিচারে পাহাড় ও টপসয়েল কেটে নেওয়ার ফলে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একশ্রেণির মাটি খেকো চক্রের লাগামহীন কর্মকাণ্ডে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উর্বর ফসলি জমি, বিপন্ন হচ্ছে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য।


স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা ও আশপাশের ফসলি জমি থেকে রাতের আঁধারে এবং কখনো প্রকাশ্যেই কেটে নেওয়া  হচ্ছে পাহাড় ও উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপসয়েল)। এসব মাটি  আবাসন প্রকল্প ও বিভিন্ন ভরাট কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে জমির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে উৎপাদনক্ষমতা।


কৃষকদের অভিযোগ, টপসয়েল কেটে নেওয়ার পর জমিতে আর আগের মতো ফসল ফলছে না। ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের ফলন উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে একসময় এসব জমি সম্পূর্ণ অনাবাদি হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।


পরিবেশবাদীদের মতে, পাহাড় কাটা ও টপসয়েল অপসারণ শুধু কৃষির ক্ষতিই করছে না, বরং এটি ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমাচ্ছে এবং জলবায়ু ভারসাম্য নষ্ট করছে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা ও পলি জমার সমস্যাও বাড়ছে।


সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এই মাটি খেকোদের নেই মাটির প্রতি কোনো মমত্ববোধ বা দায়বদ্ধতা। অল্প লাভের আশায় তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশকে ঠেলে দিচ্ছে চরম অনিশ্চয়তার দিকে।


স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, নিয়মিত অভিযান, কঠোর শাস্তি ও পাহাড়-টপসয়েল রক্ষায় শক্ত নজরদারি ছাড়া এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করা সম্ভব নয়।


এখন প্রশ্ন একটাই—লোহাগাড়ায় এই পাহাড় ও টপসয়েল কাটা আর কতদিন চলবে? সময় থাকতেই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ মাশুল দিতে হবে পুরো জনপদকেই।




আরও খবর