দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান। অবশেষে রায় পেল ঠাকুরগাঁও সদরের দক্ষিণ সালন্দরের সেই বহুল আলোচিত কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা জজ আলী মনসুর এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের রায়:
১. *আমৃত্যু কারাদণ্ড + ২ লাখ টাকা জরিমানা:* মো. আনিস রানা, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. দুলাল।
_বিশেষ নির্দেশ:_ এরা জেল কোডের কোনো রেমিশন বা সাজা মওকুফের সুবিধা পাবে না।
2. *যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড + ১ লাখ টাকা জরিমানা + অনাদায়ে ১ বছর:* মো. আনিছুর, মো. খতিবুর খতু, মো. লালু।
আদালত আরও নির্দেশ দেন, আসামিদের কাছ থেকে আদায়কৃত জরিমানার সম্পূর্ণ অর্থ ভুক্তভোগী কিশোরীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। প্রয়োজনে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে তুলে সেই টাকা আদায় করতে জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দক্ষিণ সালন্দর এলাকা থেকে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা। ঘটনার ৪ দিন পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করেন।
এরপর দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ রায় এলো।
রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিল ৫ আসামি। তবে প্রধান আসামি মো. আনিস রানা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) বলেন, "১৫ বছর পর হলেও ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। এই রায় সমাজে একটি বার্তা দেবে যে, শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতার কোনো ছাড় নেই।"
এই রায় প্রমাণ করে, অপরাধ করে কেউ পার পায় না। সময় লাগলেও ন্যায়বিচার আসবেই। আসুন আমরা সবাই শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।
৪ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
১৭ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
১৭ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
২ দিন ১ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
২ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
২ দিন ১৮ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে