ঠান্ডা জনিত কারনে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় শিশু ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক শিশুকে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী অভিভাবকরা প্রাইভেট চিকিৎসা করাচ্ছেন। অপরদিকে অস্বচ্ছল অভিভাবকরা চিকিৎসা করাতে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা করাতে ছুটছেন। সরেজমিন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিভাবকরা তাদের শিশু সন্তানকে চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে এসেছেন। ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের মাঝে ৫ মাস থেকে ১ বছর বয়সি শিশুদের সংখ্যাই বেশি। উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেয়া তথ্য মতে জানা যায়, প্রতিদিন বহিঃবিভাগে ৪৫০ থেকে ৬০০ জন ও জরুরি বিভাগে ১৩০ থেকে ১৬০ জনকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগীকে। তন্মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে ডায়রিয়া সর্দি কাশি শ্বাস কষ্টে আক্রান্ত শিশু রোগী। ভর্তিকৃত ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুধু স্যালাইন ও সালবোটামল সিরাপ দেয়া হচ্ছে। ব্যবস্থাপত্রে লেখা বাকি ওষুধ অভিভাবকদের বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। সরিষা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের এমদাদুল হকের মেয়ে ইসরাত জাহান (৩) কুমুরিয়ার চর গ্রামের নীলুফা বেগমের মেয়ে ঋতু মনি (১৬মাস) এবং সোহাগী ইউনিয়নের মাসকান্দা গ্রামের ফাতেমা খাতুনের ছেলে লামিমকে (৫মাস) নিয়ে দুদিন ধরে হাসপাতালে অবস্থান করছেন। সংশ্লিষ্ট অভিভাবকরা ব্যবস্থাপত্র দেখিয়ে বলেন, ডায়রিয়া চিকিৎসার এন্টিবায়োটিক এরোমাইসিন, নিটাজক্সানিড, এজিথ্রোমাইসিন, রোজিথ এসমস্ত উচ্চ মূল্যের ওষুধ বাহির থেকে কিনে এনে বাচ্চাদের খাওয়াতে হচ্ছে। আর্থিক সংকটের কারনে তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে বলে তারা জানান।
এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসাইন জানান, হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ কম থাকায় অভিভাবকদের বাহির থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। কিছু দিনের মধ্যে ওষুধ ক্রয়ের টেন্ডার দেয়া হবে। অচিরেই ওষুধ সংকট কেটে যাবে।
৪ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে