জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির নিজ ভোটকেন্দ্রে সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেরেছে ধানের শীষ প্রতীক।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে প্রকাশিত ফলাফলে ওই কেন্দ্রে ৪৬২ ভোট বেশি পেয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জিতেছে।
কুলকান্দী ইউনিয়নে ১২৩৮৯ ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেন ৬৩৭০ জন। এতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট পড়ে ৩৬৫৯টি এবং ধানের শীষ প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ২৬২৬টি। এতে চারটি ভোটকেন্দ্রের তিনিটিতেই জিতেছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুলকান্দী হেদায়েতিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসাকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুর ইসলাম। ওই কেন্দ্রে ২৯৩৭ জন ভোটারের মধ্যে ১৫০২ জন ভোট প্রদান করেন। ২০ জনের ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়। এতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৯৫৯ এবং ধানের শীষ প্রতীকে পড়েছে ৪৯৭ ভোট। এ ছাড়া হাতপাখা প্রতীকে ২২টি এবং ঘোড়া প্রতীকে ৪টি ভোট পড়েছে।
উল্লেখ্য, ৯২টি ভোটকেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সুলতান মাহমুদ বাবু ধানের শীষ প্রতীকে ৯৫ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. অধ্যক্ষ মাওলানা ছামিউল হক ফারুকী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট পান। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী সুলতান মাহমুদ সিরাজী হাতপাখা প্রতীকের পেয়েছেন ১ হাজর ৬৯৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকে অর্ণব ওয়ারেস খান পেয়েছেন ১৬৯ ভোট। এ উপজেলার ২ লাখ ৮২ হাজার ১০৩ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
এবিষয়ে কুলকান্দী ইউনিয়ন সভাপতি নুর ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ মিন্টু বলেন, 'দলীয় কোন্দলসহ সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে কুলকান্দী ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট কম হয়েছে।'
৪৮ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে