সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায় ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের রাস্তা।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল ও কলেকজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা, কৃষক, দিনমজুর থেকে শুরু করে হাজারো মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু রাস্তাটির এ দুরবস্থা যান চলাচলকে প্রায় অচল করে তুলেছে। ভ্যান, অটোরিকশা ও ইজিবাইক কোনোভাবে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
ময়মনসিংহ সদরের ৭ নং চর-নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন এর সাহেব কাচারী বাজার পাড় হয়ে বিজয় নগর গ্রাম।সদরের শেষ বর্ডার হওয়ায় এখানে মানুষের ভিতরের কথা প্রাণের দাবি বিজয় নগর এর রাস্তার উন্নয়ন স্থানীয় চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে না।প্রতিবার ই যিনি স্থানীয় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন,রাস্তা করার আশ্বাষ দিলেও তার ফলাফল নির্বাচনে পাশ করার পর আর দেখা যায় না।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, ‘প্রতিদিনই আমাদের এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। বৃষ্টিতে রাস্তাটি একদম চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কয়েকদিন আগেও একটি রিকশা উল্টে যায়। এতে মহিলা যাত্রী গুরুতর আহত হয়। তারপরও শত ভোগান্তি নিয়েই এ রাস্তা দিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হয়।
যানবাহন চালকরা জানান, খারাপ রাস্তার কারণে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যানবাহন। এছাড়া একাধিক ঝুঁকিপূর্ণ মোড় থাকায় দুর্ঘটনা ঘটছে হরহামেশা। দ্রুত এ সড়ক সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।
মোটরসাইকেল চালক রানা বলেন, ভাঙা রাস্তার ওপর মোটরসাইলের চাকা উঠলেই তা পিছলে দুর্ঘটনা ঘটছে।
অটোরিকশা চালক রফিক মিয়া বলেন, আমরা গরিব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। রাস্তার কারণে গাড়ির পেছনে যত টাকা খরচ হয়, তাতে আমাদের পরিবার নিয়ে দুবেলা দুমুঠো খাওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।
পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইমন বলে, বাড়ি থেকে আমার বিদ্যালয়ের দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার। এজন্য হেঁটে আমি বিদ্যালয়ে যাতায়াত করি। কিন্তু ভাঙা রাস্তায় অবিরাম যানবাহন চলাচলের কারণে প্রচুর ধুলাবালি সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বেহাল রাস্তার কারণে প্রায়ই হাঁটার রাস্তায় বিভিন্ন যানবাহন তুলে দেন চালকরা। এজন্য দুর্ঘটনার পড়ার আশঙ্কা থাকে।
সাধারণ মানুষ মনে করে, সড়কটি নিয়ে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। অথচ এর সমাধানে কর্তৃপক্ষের কোনাে নজর নেই। এটি মেরামতের জন্য স্থানীয় লােকজন একাদিকবার মানব বন্ধন করলেও কোনাে প্রতিকার পায়নি। এলাকাবাসীর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত নির্মাণ করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
১২ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১৫ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১৫ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে