সেনবাগে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ৭ নাগেশ্বরীতে বামনডাঙ্গায় অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ রামগ‌ড়ে এসএস‌সি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী‌দের সংবর্ধনা দি‌য়ে‌ছে ছাত্রদল যশোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এতিমখানায় ঢুকে পড়ল বাস, নারী পথচারী নিহত অভয়নগরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহীর নিহত চিলমারীতে "ডাবল এইট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির" ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও পুর্নমিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠিত বেনাপোলে ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে পাঠাল ইমিগ্রেশন দিনাজপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী ১৪৩৩ উদযাপন জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শেরপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎হোসেনপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে গেল তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন উলিপুরে সরকারি রাস্তা থেকে অবৈধ বসতবাড়ী সরিয়ে নেয়ার আইনি নোটিশ জয়পুরহাটগামী প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, বৃদ্ধার মৃত্যু শ্রী শ্রী কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে জয়পুরহাটে শতকণ্ঠের গীতা পাঠ, আলোচনা ও র‍্যালী দূর্ঘটনার কবলে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি ঈশ্বরগঞ্জে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ র‌্যাবের নাম বদলের বিল পাস দেশ অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী লাখাইয়ের বাজারে দেশিজাতের মাছের জন্য হাহাকার।

লাখাইয়ে ঝাড় ফুঁ নামে প্রতারণা, হাতিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

লাখাইয়ে ঝাড় ফুঁ নামে প্রতারণা, হাতিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। কবিরাজ একটি সুপরিচিত নাম। প্রাচীন যুগ থেকেই ভারত উপমহাদেশ সহ পাকিস্তান ও বাংলাদেশ কবিরাজি পেশায় নিয়োজিত ছিলেন অসংখ্য হাকিম ও কবিরাজ। যারা মানুষের কল্যাণে কাজ করে গিয়াছেন সর্বদা।চিকিৎসা বিজ্ঞান নিম্নমানের হওয়ার কারণে অধিকাংশ জনবসতি নির্ভরশীল ছিল এই কবিরাজদের উপরে। তারা বিভিন্ন গাছ-গাছরা ও ঝাড় ফুঁ মাধ্যমে চিকিৎসা করত সাধারণ জনগণের উপকারের জন্য। লাখাইয়ে এই মহৎ পেশা কে কুলুষিত করছে সুনামগঞ্জের রফিক ভান্ডারী নামে এক অসাধু ভন্ড প্রতারক।কবিরাজ সেজে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে, হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,লাখাই উপজেলার ৫নং করাব ইউনিয়নের মনতৈল গ্রামে কয়েক মাস ধরে এই রফিক ভান্ডারী নামে গায়ে শিকল পড়ে নিজেকে একজন আল্লাহর কামেল সেঁজে, ভন্ডামী করে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তার নেই কোন লেখাপড়া, নেই কোন কবিরাজি করার দক্ষতা, নেই কোন সনদ পত্র। নিজের মন গড়া মন্ত্র পাঠ করে পাগলের মতো সারা গায়ে শিকল বাঁধা, নেই কোন কুরআন শিক্ষা। ভুলভাল কুরআনের আয়াত পাঠ করে, মানুষের কাছে থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। রাজিয়া খাতুন নামে একজন ভুক্তভুগী জানান, তার একটি চার বছরের মেয়ে , জন্মের দুই বছর পরে মেয়েটির ঠান্ডা নিউমোনিয়ার হয়ে, অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর থেকেই রাজিয়া খাতুন মেয়েকে সুস্থ করার জন্য নানা দিকে ছুটাছুটি করে বেড়ায়, বয়স চার বছর হওয়া সত্ত্বেও মেয়ে কোন কথা বলতে পারে না। দিশেহারা মা মেয়ের মুখে মা ডাক শোনার জন্য যখন যে যা বলে তারা তাই করার চেষ্টা করে।রাজিয়া খাতুন মেয়েকে নিয়ে ডাক্তার কাছে যায়, ডাক্তার খানা থেকে কবিরাজের এক দালাল চক্রের সাথে দেখা হয়।সে রাজিয়া খাতুন কে বলে তোমার মেয়েকে মনতৈল গ্রামের ভ্যানচালক আব্দুল কাইয়ুমের বাড়িতে অবস্থান করছে রফিক ভান্ডারী বাবা, উনার কাছে নিয়ে যাও সে কথা বলতে পারবে। তখন অবুঝ মায়ের মন দালালের কথা বুঝতে না পেরে মেয়ে নিয়ে ঐ রফিক ভান্ডারীর কাছে যায়। রফিক ভান্ডারী জানায় যে মেয়ের কোন সমস্যা না, মা রাজিয়া খাতুনের সমস্যার কারণেই, তার মেয়ে কথা বলতে পারে না। রাজিয়া খাতুনের নাকি মা মনসার দৃষ্টি আছে,যার কারণে তার মেয়ে কথা বলতে পারে না। এই দৃষ্টি থেকে মুক্তি পেতে হলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে, আর শর্ত পূরণ করলে মেয়ে কথা বলতে পারবে। তার জন্য রফিক ভান্ডারীকে কে হাদিয়া হিসেবে ১২হাজার টাকা এবং দিতে হবে,এবং কিছু জিনিসপত্র বাবদ ৫ হাজার টাকার।এবং মেয়েকে মুরগীর কাচা রক্ত দিয়ে গোসল করাতে হবে। রফিক ভান্ডারী আরো বলেন, তিন মাসে তার মেয়ে কথা বলতে পারবে। তা না হলে তার টাকা ফিরিয়ে দিবে। রাজিয়া খাতুন জানান আমার স্বামী একটি প্রাণ কোম্পানিতে চাকরি করে, মাসে ১২ হাজার টাকা বেতন পায়, তা দিয়ে আমার সংসার চলানো কষ্ট হয়ে যায়। মেয়ের কথা চিন্তা করে, আমি উনাকে টাকা দিয়েছি। তার কথা মত কাজ হয়নি,শুনছি,যার বাড়ীতে থাকতো,সে বাড়ীর এক মহিলাকে নিয়ে পালিয়েছে। রাজিয়া খাতুন আরও বলেন এই ভন্ড কবিরাজ আর যেন কাউকে এই ভাবে ঠকাতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি । আরেক ভুক্তভোগী রবিন্দ্র সরকার বলেন,রফিক ভান্ডারীর কাছে প্রতিদিন শত শত রোগী আসতো, রোগের বর্ণনা শুনেই একটি লিস্ট ধরিয়ে দিত,যা খরছ ২৫০০/৩০০০টাকার হতো,আরও নগদ অর্থ আদায় করতো। এ রকম শতশত ভুক্তভোগীর আর্তনাদ, বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে যে যেখানে পাবে তাকে যেন আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেন।
Tag
আরও খবর