সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীর অভিভাবক ওই শিক্ষককে মারধর করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ নভেম্বর শনিবার সকালে বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়ানোর সময় পঞ্চম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে যৌন হয়রানিমূলক আচরণ করেন শিক্ষক আবুল খায়ের। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষকের ওপর চড়াও হন এবং তাঁকে মারধর করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এদিকে, অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে এর আগেও প্রাইভেট পড়ানোর সময় একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল খায়েরের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. মমিনুর রহমান মুকুল জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ তাঁকে কিছু জানাননি। তবে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, বিষয়টি জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা ফোন রিসিভ না করায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। পাশাপাশি শিক্ষককে মারধরের ঘটনাটিও আইনসম্মতভাবে তদন্তের দাবি উঠেছে।
১৯ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে