বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল আয়োজিত ও প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে দুই দিন ব্যাপি উন্নত জাতের ঘাস চাষ কৌশল, সবুজ ঘাস সংরক্ষণ প্রযুক্তি এবং গবাদিপশুর খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক খামারী প্রশিক্ষণ শেষ হলো।
আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) উন্নত জাতের ঘাস চাষ কৌশল, সবুজ ঘাস সংরক্ষণ প্রযুক্তি এবং গবাদিপশুর খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক খামারী প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ তাইফুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শাজাহানপুর, বগুড়া। ফিরোজ আহমেদ খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, শাজাহানপুর, বগুড়ার সভাপতিত্বে উক্ত প্রশিক্ষণে আরো উপস্থিত ছিলেন তারেক হাসান, ভেটেরিনারি সার্জন, মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার, সাধনা রাণী রায়, স্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি)। প্রধান অতিথির আলোচনায় বলেন গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস সংরক্ষণ প্রযুক্তি, খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে উন্নত জাতের ঘাস লাগানোর উপর ও গবাদিপশু প্রতি যত্ন সহকারে পালন সম্পর্কে।
এ দিকে নিজের গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত ঘাস বিক্রি করে আয় করা যায় কি ভাবে তার ফলশ্রুতিতে নেপিয়ার জার্মান, পাকচং-১, ভূট্টা, খেসারী, পাড়া, কাউপি, মাসকালাই, আলফা আলফা, জাম্বুসহ আরো অন্যান্য উন্নত জাতের ঘাস চাষে আগ্রহী ও ঘাস চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাণীর পুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাষ চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের আওতায় খামারীদের এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
একবার ঘাস লাগালে এক থেকে দেড় মাস অন্তর অন্তর ঘাস কাটা যায়। এতে দুই-তিন বছর ঘরে ঘাস পাওয়া যায়। গবাদিপশুর জন্য সবুজ কাঁচা ঘাস খুবই পুষ্টিকর খাবার। কাঁচা ঘাস খাওয়ালে অল্প দিনের মধ্যে গরু মোটাতাজা হয় এবং অধিক দুধ পাওয়া যায়।
এ ছাড়াও কাঁচা ঘাস দিয়ে সাইলেজ ও শুকনা ঘাস দিয়ে হে তৈরি করে অনেক ঘাস একসঙ্গে সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া। এতে করে গবাদিপশুর খাদ্য নিয়ে বছরের কোন সময় সমস্যার সম্মখীন হতে হবে না খামারীদের।