কারখানার ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যে ঘরের বারান্দায় রনির লাশ পাওয়া গেছে, সেই কক্ষে রনিসহ সাতজন কর্মকর্তা থাকেন। সকাল ৮টার দিকে ঘুম থেকে উঠে যে যাঁর মতো কর্মস্থলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর একজন ঘরের বারান্দার দরজা ভেজানো দেখে দরজা খুলে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে আমাকে জানালে আমি পুলিশে খবর দিই। কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।’তবে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা মানতে নারাজ মাহফুজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘এটা আত্মহত্যা হয় কী করে?
এটা আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড?”আমির হোসাইন নামের একজন লিখেছেন, ‘ছবি দেখে তো মনে হচ্ছে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। যা-ই হোক, এটা পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসবে হয়তো!”এ বিয়ষে রনি শেখের কোনো স্বজনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাঈল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কারখানার কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। আমরা যাচাই-বাছাই করছি। তাঁর মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।