নোয়াখালীর সেনবাগে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু সুশিক্ষার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ড. সুব্রত বড়ুয়া নিজ দলের নেতাদের মারধর ও সিট দখল: সংবাদ প্রকাশের পর জাবিপ্রবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার বরিশাল রুপাতলীর মহাসড়ক এখন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের দখলে! সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকটকে ভুলে যাওয়া সংকটে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না : হুমায়ুন কবির লোহাগাড়ার সাংবাদিক জগতের নক্ষত্র এম এম আহমদ মনির অসুস্থ নয়া রাষ্ট্রপতিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন সেনবাগের ছিলোনিয়া ইউনিয়ন হাই স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্রে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৫, দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড ক্ষেতলালে ডিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা রাসেলসহ আটক ২, পাঠানো হলো কারাগারে উলিপুরে ভাওয়াইয়া শিল্পী কছিম উদ্দিনের ৩৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ক্ষেতলালে ১ হাজার সিম ও ১৯টি স্মার্টফোনসহ অনলাইন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার কালাইয়ে মাদকাসক্ত স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ শ্যামনগরের শিক্ষক ও কবি সুপদ বিশ্বাস আর নেই ইটাখোলা বাজার কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন কাল সেনবাগে রাত ৮টার পরও দোকানপাট খোলা: সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মৌলভীবাজার জেলা মডেল মসজিদের ইমামের অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর আশাশুনির কাদাকাটিতে নিত্যপণ্য ন্যায্যমূল্যে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাস্কর্য ভাঙা নিয়ে তীব্র বিতর্ক!

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধনের মাত্র দেড় বছরের মাথায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) 'অঞ্জলি লহ মোর' ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, যা ক্যাম্পাসে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের একটি গানের নামে নামকরণ করা এই ভাস্কর্যটি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ এবং পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝখানের পুকুরপাড়ে স্থাপন করা হয়েছিল। তবে, গত ৫ আগস্টের পর নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পরই এটি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পুকুরগুলোর সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য চার কোটিরও বেশি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।


অনেক শিক্ষার্থীর মতে, এটি নিছক একটি ভাস্কর্য ভাঙা নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি। এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি ও নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এবং প্রকৌশল দপ্তরের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলাম দুজনেই 'অবগত নন' বলে মন্তব্য করেন এবং পরিকল্পনা দপ্তরকে জিজ্ঞাসা করার পরামর্শ দেন।

তবে, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান সরাসরি বলেছেন, "বর্তমান প্রশাসন ভাস্কর্যটি গ্রহণ করেনি, তাই এটি ভাঙা হয়েছে। সিদ্ধান্ত এসেছে উপাচার্য স্যারের পক্ষ থেকেই।" তিনি আরও যোগ করেন যে, ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরাই প্রথমে এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছিল এবং ভাঙার চেষ্টা করেছিল।

উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে থাকা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকীও এ বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। তিনি জানান, "অনেক আগেই ডিনবৃন্দ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তখন নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, বিশেষ করে এই ভাস্কর্য নিয়েই অনেক আপত্তি উঠেছিল। সেই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই হয়তো এটি ভাঙা হয়েছে।"


এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে একটি নান্দনিক স্থাপনার ধ্বংসযজ্ঞ বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন। এই ভাস্কর্য ভাঙার পেছনের আসল কারণ এবং এর ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আরও খবর



গণমাধ্যমে আগুন: স্বাধীনতার সীমানা কোথায়?

২৪৬ দিন ১ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে





ছয় দফা দাবিতে উপাচার্যের দরজায় "সাদা দল"

২৭২ দিন ১৪ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে