সিলেট(বিশ্বনাথের)প্রবীন সাংবাদিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ দেশের অন্যতম আলেম মাও আব্দুল হাই জিহাদীর উপর স্থানীয় উগ্র সন্ত্রাসীদের রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনায় উদ্ভেগ প্রকাশ করেছে "হিউম্যান রাইটস এক্টিভিটিশ ফাউন্ডেশন HRA " আজ এক বিবৃতিতে সিলেট বিভাগীয় জোনের সমন্বয়ক ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক কবি এস.পি.সেবু টুইট বার্তায় এ তথ্য জানান।
দেশ বিদেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনের বিবৃতির পরপরই মানবাধিকারের প্রশ্ন মানবাধিকার এসংগঠনটি বিবৃতি দেয়। মাও জিহাদীর উপর হামলাকারীরা এখনো আইনের ধরাছোঁয়ার বাহিরে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয় :- মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী নিজে ও তা়র স্ত্রী জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গতরাত দুটা থেকে প্রায় নিথর দেহে পড়ে আছেন তাফসীরে উম্মুল কুরআন নামক সাড়া জাগানো তাফসীর সহ প্রায় অর্ধশতাধিক অমূল্য গ্রন্থের লেখক।
💥 অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী শুধূ একজন লেখক ই নয় একজন প্রথিতযশা নির্ভিক সাংবাদিক কলামিস্ট সাহিত্যিক ইমাম খতিব ও সুবক্তা । অন্যায়ের প্রতিবাদে বলিষ্ট ভূমিকা পালন কারী ন্যায্য অধিকার আদায়ে আপোষহীন। মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী সেই আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে আঞ্চলিক ও জাতীয় যে কোন সামাজিক আন্দোলন সংগ্রাম ও ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে অগ্র সৈনিক।
💥 সেই বি ডি আরের বেড়া অপসারণের আন্দোলন, সিমিটার আন্দোলন, সিলেট বিভাগ বাস্তবায়ন আন্দোলন, সিলেট _ছাতক রেল ও সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন ও সুনামগঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণনের দাবীতে আন্দোলন, সিলেট বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর আন্দোলন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন,বাদাঘাটের চেঙের খাল সেতু ,লামাকাজি সেতে, সেরপুর ব্রীজ বাস্তবায়ন আন্দোলন এর সাথে সক্রিয় অগ্রগামী সৈনিক, টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী আন্দোলন সহ অসংখ্য আন্দোলনে যেমন তাঁর রক্ত ঝরেছে। তেমনি-
💥 দাউদ হায়দার থেকে তসলিমা নাসরিন এর মতো কুখ্যাত নাস্তিক মুরতাদ বিরোধী আন্দোলন্, দারুস সালামে মাদ্রাসার বিরোধ নিষ্পত্তি, জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার মাদ্রাসার ভুমি ঊদ্ধারেই কেবল তাঁর দেহে দশটিরও বেশী রামদার কূপ আছে। কাজীর বাজার মাদ্রাসার মুহতামিম ও আসাদ মদনীর রঃ মধ্যকার অপ্রীতিকর ঘটনা নিস্পত্তিতে তার ভুমিকা, মাওলানা বশিরুজ্জামান কর্তৃক লিখিত মওদুদীবাদী!? সত্যের আলো বই এর বিরুদ্ধে গড়ে উঠা আন্দোলন এর যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন।
💥 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের নাম করণ আন্দোলন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা ছাত্র ভর্তি আন্দোলন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে গর্জে উঠা আন্দোলনের অগ্রসৈনিক এই মাওলানা জেহাদী।
💥 বাধ্য হয়ে ই বলতে হয় জাগতিক ভাগ্য খারাপ মনে হয়। তাই টাকা ভর্তি ব্রিফকেস বারার পেয়েও মোসাদ 'র' এর হয়ে কাজ করে সোনার চামচে ভাত খাওয়ার মতো সম্পদ গড়ার অবারিত সুযোগ পেয়েও তা হালাল না হওয়ায় গ্রহণ না করে আজ নিঃস্ব। তিন বেলার একবেলা খেয়ে চাহিদার চেয়ে ৫শতাংশ চিকিৎসা সেবা নিয়ে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের মানবিক সহায়তায় একটি কেবিনে দুজন ই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
💥 অথচ আমাদের কত টাকা ওয়ালা আছেন। হামলাকারীদের ও টাকার বান্ডিল আছে আছে তাদের ইন্ধনদাতাদের ও ঢেল টাকা। কি হবে এই টাকা আর প্রভাব প্রতিপত্তি দিয়ে যদি তা মানবতার কল্যাণে না লাগে? জাতির একজন গর্বিত সন্তান এর ও তার পরিবারকে বাঁচাতে কাজে না লাগে? আর কোথায় সেই সৎ ও মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন নেতা ও জনপ্রতিনিধি?! যারা সমাজের গুণি মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন না। পারেন না উশৃঙ্খলদের ডেকে পাঠিয়ে শাসন করতে !?
বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের আলোকে -
মাওলানা জেহাদী ও তার স্ত্রীর উপর হামলার
ঘটনায় মামলা: আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রকাশিত শিরোনামে সংবাদটি হলো :-
সিলেটের প্রবীণ আলেম, লেখক, গবেষক ও ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী ও তার স্ত্রীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (২২ জুলাই) মামলাটি দায়ের করেন মাওলানা জেহাদীর ছেলে মুন্সী খাইরুল ইসলাম ফাহিম। মামলা নং-০৬, তারিখ-২১/০৭/২০২৩ইং।
এদিকে মামলা দায়েরের ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও আসামীদের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মাওলানা জেহাদীর পরিবার। অবিলম্বে আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী ও তার বৃদ্ধা স্ত্রী সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর হয়ে নগরীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। মাওলানা জেহাদীর অবস্থা আশঙ্কামুক্ত হলেও তার স্ত্রীর অবস্থা এখনো সঙ্কটাপন্ন বলে জানা গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকবৃন্দ। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তিনি বর্তমানে নগরীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভেঙ্গে যাওয়া হাতটি চিরদিনের জন্য অকেজো হয়ে যেতে পারে। মাওলানা জেহাদী ও তার স্ত্রী হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) মাগরিবের নামাজের পর বিশ্বনাথ উপজেলার কান্দিগ্রামের তাদের প্রতিবেশী বদরুল ও তার তিন ভাই, পাশের ঘরে তার খালাতো ও মামাতো ভাই এবং খালু মিলে হঠাৎ মাওলানা জিহাদির ঘরে এসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দরজা জানালায় ভাংচুর চালায়। তখন মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী ঘর থেকে বেরিয়ে কিছু বুঝার আগেই সন্ত্রাসীরা তাদের হাতে থাকা রড, লোহার পাইপ দিয়ে উপুর্যপুরী আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেয়। এসময় মাওলানা জিহাদিকে হামলা থেকে রক্ষা করতে তাঁর স্ত্রী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা লোহার রড, কাঠের বর্গা, লোহার পাইপ ও বাউ দিয়ে তাকেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে দরজার সামনে ফেলে দেয়। এতে মাওলানা জিহাদির মাথা, চোখ, বাম হাতের আঙ্গুল ও তল পেটে মারাত্মক জখম হয়। তার স্ত্রীর হাত ভেঙে গেছে, মাথার খুলিতে পেছন দিকে লোহার রডের বাড়ীতে মাথা ফেটে প্রচূর রক্তক্ষরণ হয়েছে।
ঘটনার পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মাওলানা জিহাদি ও তার স্ত্রীকে এ্যাম্বুলেন্সে করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় প্রথমে বিশ্বনাথ থানায় মৌখিক অভিযোগ করা হলেও শনিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তার ছেলে। পুলিশ অভিযোগটি মামলার নথিভুক্ত করেছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। এর আগে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে এবং ওসমানী হাসপাতালে গিয়ে মাওলানা জিহাদি এবং তাঁর স্ত্রীর খোঁজ খবর নেয়।
এদিকে এলাকাবাসী প্রতিথযশা আলেম মাওলানা আব্দুল হাই জিহাদি ও তার স্ত্রীর উপর হামলার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। মাছ ধরার জন্য সামান্য জাল পাতানো নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে এমন জঘন্য সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে এলাকার মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে আব্দুল হাই জিহাদী ও তার স্ত্রীর উপর সন্ত্রাসী হামলার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠছে। দেশ ছাড়া বিদেশে থেকে অনেকেই মাওলানা জিহাদী ও তার স্ত্রীর উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানান।
এ ব্যপারে বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী আতাউর রহমান বলেন, একজন মুরব্বী আলেম ও তার স্ত্রীর উপর এমন হামলা জঘন্য ঘটনা। আমি খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে গিয়ে তাদেরকে দেখে এসেছি। তাদের উপর আঘাতগুলো গুরুতর। আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলাটি নথিভুক্ত করেছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা হবে।
৬ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৭ দিন ১১ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৯ দিন ৩ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৯ দিন ৬ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
৯ দিন ৬ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৯ দিন ৬ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
১১ দিন ৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে