হাবিবুর রহমান, চিলমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে টানা ১০দিন থেকে ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে আছে। চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন বানভাসি মানুষেরা। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে সরকারীভাবে ত্রাণ সহায়তা না পেয়ে, আজ বুধবার (৭ই জুলাই) দুপুরে বন্যায় দূর্গত বিভিন্ন এলাকার মানুষেরা উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করেন। পরে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ রুকুনুজ্জামান শাহিন অফিস থেকে নিচে এসে, ত্রাণের জন্য হা-হাকাররত বন্যায় দূর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় নয়ারহাট ইউনিয়ন থেকে আসা আছিয়া বেগম, সালমা বেগম, কহিনুর বেগম ও সুচনা বেগম বলেন, বাঁশের মাচান, নৌকা ও কলা গাছের ভুরায় (ভেলায়) আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। এখন পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা পাইনি। আমরা যদি না খেয়ে মরে যাই তাহলে ত্রাণ দিয়ে কি লাভ হবে বলে জানান তারা। অষ্টমীর চর এলাকার নুর মোহাম্মদ, সাইদুল ও সুমন বলেন, অকাল বন্যায় সবকিছু ডুবে গেছে। শিশু, বৃদ্ধ, গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগী নিয়ে অনেক কষ্টে একই ঘরে গাদাগাদি করে থাকছি। আমাদের ও গবাদি পশুদের চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ রুকুনুজ্জামান শাহিন বলেন, সরকারী ভাবে বরাদ্দ পাওয়া ত্রাণ বন্যায় দূর্গত মানুষের মাঝে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এবং জেলা প্রশাসকের কাছে আরো ত্রাণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বন্যায় দূর্গতরা ত্রাণের জন্য জোর করে আইডি কার্ড আমার কাছে জমা দিয়ে যাচ্ছেন। নতুন করে বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে তাদের মাঝে বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত সরকারী ভাবে ৬৬ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল ও নগদ অর্থ পর্যায়ক্রমে বন্যায় দুর্গতদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
৭ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১৫ দিন ৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
১৮ দিন ৬ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
২৪ দিন ৪ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
২৬ দিন ৪ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
৩৩ দিন ৭ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৩৫ দিন ৪ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৪০ দিন ৫ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে