কোরবানির ঈদ উপলক্ষে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় জমে উঠেছে পশুর হাট। সীমান্তবর্তী এ উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে ভারতীয় গরু বেশি না আসায় চাহিদা বেড়েছে দেশীয় প্রজাতীর গরুর। তবে, পশুর দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে দেখা দিয়েছে ভিন্ন সুর।
রবিবার (২৫ জুন) দোয়ারাবাজার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সর্ববৃহত্ত স্থায়ী পশুর হাট বাংলাবাজারে গিয়ে দেখাযায়,কোরবানির গরু ক্রয় করতে আসা কেউ বলছেন গরুর বাজার এখন মধ্যম পর্যায় চলছে। বিক্রেতারা বেশি দাম না চাওয়ায় ক্রেতারা ও সহজে গরু কিনতে পারছেন। আবার, কোন কোন ক্রেতাদের মতে বাজার এখন চড়া,তাদের মতে বাজার চড়া হওয়ায় অনেকে বাজারে না এসে বাড়ি খামারে গিয়ে গরু কিনছেন। তবে,বাজারে আসা পশু বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা।
কিছু বিক্রেতাদের মতে,বাজারে তুলনামূলকভাবে গরুর দাম বর্তমানে মন্দায় রয়েছে। যেখানে গরু পালনে যাবতীয় পণ্যের যে দাম বৃদ্ধি হয়েছে,সে অনুযায়ী গরুর দাম এখনও চড়া হয়নি। তবে পশু বিক্রি করে বেশির তুলনায় কম লাভ হলেও লস হবেনা বলে জানান বিক্রেতাগন।
স্থানীয়দের সাথে আলোচনা করে জানা গেছে,গত বছরের প্রলয়নকারীর বন্যার রেশ কাটিয়ে এখনও উঠতে পারেনি সীমান্তবর্তী এই উপজেলার মানুষজন। এতে,অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এবার অধিকাংশ ক্রেতাই খুঁজছেন মাঝারি আকারের ছোট গরু। তাদের মতে, অনেক পরিবার ও ব্যক্তি বিগত বছরে একাধিক পশু কুরবানী দিলেও এবছর অধিকাংশই প্রতিবেশিদের সাথে ভাগাভাগি করে কুরবানির দিচ্ছেন।
তাছাড়াও,হাটে আসা অধিকাংশ গরু ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে বড় গরুর বেচাকেনা তুলনা মূলক কম হচ্ছে বলে জানান হাট ইজারাদাররা।
কারো কারো মতে, যেহেতু বর্তমানে দেশব্যাপি গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭০০-৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে সে অনুযায়ী গরুর বাজার মধ্যম গতিতে চলছে। তাদের মতে এভাবে চলতে থাকলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই সুবিধা হবে।
উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা সোলাইমান আহমেদ ৫১ হাজার টাকায় একটি ডেকা গরু বিক্রি করেন । তার মতে গরু বাজারে ভালোই চলছে। বর্তমান বাজার দামে খুশি তিনি।
কিছু ক্রেতার মতে, এবার গরুর দাম চড়া। তাদের মতে গরুর বাজার চড়া থাকায় অধিকাংশ ক্রেতাগণ সরাসরি বাড়িতে ও খামারীতে গিয়ে গরু ক্রয় করছেন। এতে, এবছর কুরবানী ও কম হবে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।
দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানির পশু রয়েছে।কোরবানি ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম দেওয়া হয়েছে।সুতরাং আমাদের এখানে ভারতীয় গরুর কোন প্রয়োজন নেই।
১৬ দিন ১২ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
২১ দিন ৭ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
২১ দিন ৭ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
২২ দিন ৪ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
১৬২ দিন ২২ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
২০২ দিন ২১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
২০৩ দিন ১৩ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
২০৩ দিন ১৩ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে