তেতৈয়া দাওয়াতুল ইসলাম দাখিল মাদরাসায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও নুরুল আমিন এমপিকে সংবর্ধনা লাখাইয়ে চোরাই মোটরসাইকেল সহ আটক -১। শ্যামনগরে চিংড়ীতে জেলি পুশ, ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শ্যামনগরে এবার এসএসসি,দাখিল ও সমমান পরীক্ষার্থী ২৯৭৮ জন কোম্পানীগঞ্জে নাছের ও মুছাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা মাদ্রাসার পুকুরে ডুবে তা'মীরুল মিল্লাত টঙ্গী'র সপ্তম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু মাদ্রাসার পুকুরে ডুবে তা'মীরুল মিল্লাত টঙ্গী'র সপ্তম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু নওগাঁয় বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার চৌদ্দগ্রাম দারুচ্ছুন্নাৎ দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান জয়পুরহাট হার্ট ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে দূর্নীতি কমিশন এর বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত। ‎বাঘের তাড়া খেয়ে লোকালয়ে হরিণ, সুন্দরবনে অবমুক্ত দিনাজপুর বিরলে র‌্যাব-১৩ এর অভিযানে ৩৯৬ বোতল এসকাফসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। চিলমারীর "কড়াই বরিশাল চরে" মেয়েদের প্রীতি হ্যান্ডবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে আদমদীঘিতে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্ততিমুলক সভা আদমদীঘিতে চোরাই অটোভ্যানসহ চোরচক্রের সদস্য গ্রেপ্তার যশোরের শার্শায় চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম গৃহবন্দী সংখ্যালঘু পরিবার, ভাঙচুরের পর আঙিনায় সবজি আবাদ,বসতভিটা দখলের চেষ্টা সাতক্ষীরায় বাড়তি দামে তেল বিক্রি, জরিমানায় দুই স্টেশন যশোরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক জালিয়াতি: ৩৫ বছরের ব্যবসায়ীর লাখ টাকা জরিমানা

গোদাগাড়ীতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতনকারী কিশোর গ্যাংয়ের এক সদস্য গ্রেপ্তার

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে ইট-ভাটার মধ্যে পাষবিক নির্যাতন ও শরীরের বিভিন্ন অংশে জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন করার ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর ১ নং আসামী ও গোদাগাড়ী মডেল থানার তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট মেহেদী পলাশ (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার  দুপুর দেড়টার সময়  উপজেলার লস্করহাটি এলাকায় একটি ক্লাব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার দুদিন পর শনিবার দুপুরে কিশোর গ্যাংয়ের একজন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গত (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে সামিউল আলমকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে নির্জন ইট-ভাটায় নির্যাতন করা হলে সেদিন রাতেই গোদাগাড়ী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তার মা হালিমা বেগম।

কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা সামিউল আলমকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হলেও পুলিশ এসব কিশোর গ্যাংদের ধরতে গড়িমসি শুরু করে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জামাল উদ্দিন।

গত (৮ সেপ্টেম্বর) গোদাগাড়ী মডেল থানায় রাত সোয়া ৯ টার দিকে ৬ জন আসামীর নাম উল্লেখ করে মামলা রেকর্ড করে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম।

আসামীরা হলো উপজেলার লস্করহাটি গ্রামের আনসার আলীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং লিডার মেহেদী পলাশ (২২)। মহিশালবাড়ী আলীপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে ও গোদাগাড়ী আ.ফ.জি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি শাখার শিক্ষক, বণিক সমিতির সভাপতি শামসুজ্জোহা বাবুর ছোট ভাই কিশোর গ্যাং লিডার ও মাদক ব্যবসায়ী রবিউল আওয়াল, মাদক ব্যবসায়ী মুক্তি খাতুনের ছেলে শাহরিয়ার জয় (২৪) , গড়ের মাঠের মাদক সম্রাট আব্দুল মালেকের দুই ছেলে জাহিদ হোসেন (১৮) ও তারেক হাসান (২০) এবং লস্করহাটি এলাকার সাগর (২২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী পৌর এলাকাতেই রয়েছে ৫-৬ টি কিশোর গ্যাং। এদের মধ্যে আব্দুল আওয়াল ও মেহেদী পলাশের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের রয়েছে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী। আওয়াল, পলাশ, মেহেদী দাপটের সাথে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে। 

এলাকাবাসীর অভিযোগের শুরে বলেন, গোদাগাড়ীতে কিশোর গ্যংরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। পুলিশ নিরব ভূমিকা থাকায় এরা পার পেয়ে যাচ্ছে তারা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জামালের কাছে জানতে চাওয়া হয় কি ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থী সামিউল ,এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামান্য কিছু মারধর হয়েছে তেমন জটিল কিছু নয়।

অথচ নির্যাতনের শিকার হওয়া সামিউলরে পুরো শরীরে মারধরের কারনে রক্ত জমাট বাঁধা, কালশিরা পড়া, পায়ে ধারালো অন্ত্র্র দিয়ে আঘাতের ফলে গর্ত হয়ে রক্ত জমাট বাঁধা, পায়ের তালুতে কালিশিরার চিহৃ থাকা সহ নানান আলামত দেখা গেছে। এছাড়াও সামিউলের মাথায় প্রচন্ড আঘাতের কারণে অতিরিক্ত ব্যাথা হওয়ায় ও আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর এসএসপি পরীক্ষা শুরু হবে এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছে সামিউল নিজেই। এই ঘটনায় গোদাগাড়ী ৩১ শষ্যা বিশিষ্ঠ হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য গোদাগাড়ী হাসপাতালের চিকিৎসকরা গত ৮ সেপ্টেম্বর রামেক হাসপাতালে রেফার্ড করে সামিউলকে।

সামিউলরের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার ছেলেকে যে ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে এমন ঘটনা যেনো গোদাগাড়ীতে আর না ঘঠে। এমন নির্যাতন মধ্যযুগীয় কায়দায় করা হয়েছে। এই নির্যাতনের সাথে জড়িতরা সবাই এলাকার চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। এরা সংঘবন্ধ হয়ে বহুদিন থেকে নানান অপকর্ম করে বেড়ায়।

এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলেও প্রথমে থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতো পারতো। তবে তা না করে পুলিশের মধ্যে ঢিলেঢালা ভাব দেখা গেছে । এই ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে পুলিশ কিছুটা তৎপর হয়েছে বলে মনে হচ্ছে ।

গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, মামলা দায়ের হওয়ার পর  আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যহত আছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার ১ নং আসামীকে ধরতে সক্ষম হয়েছি। বাকিদের ধরেতে অভিযান অব্যহত আছে।  তাদের পেছনে সোর্স লাগানো হয়েছে। ওই ঘটনার পর থেকেই আসামীরা কেউ বাড়ীতে না থাকায় গ্রেপ্তার করতে কিছুটা সময় লাগছে বলে জানান।

Tag
আরও খবর