বাজার করতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া জামালপুরের ইসলামপুরের পাথর্শী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য আব্দুল হাইয়ের দাপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
আজ রোববার (১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইউনিয়নের উত্তর শশারিয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে তাঁকে দাপন করা হয়।
জানাজার নামাজে দাঁড়িয়ে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, আব্দুল হাই মেম্বারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা এই হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
আব্দুল হাই মেম্বারের একমাত্র ছেলে দেওয়ানগঞ্জ সরকারি টেকনিকেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাম-মেশিনারিজ মো. সুজন মিয়া বলেন, 'আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তে করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দাবি করছি।
আব্দুল হাই মেম্বারের একমাত্র মেয়ে সাথী আক্তার বলেন, 'আমার বাবার সঙ্গে কারো কোনো বিরোধ ছিলো না। তবে কেনো তাঁকে খুন করে যমুনা নদীতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হলো। বাবার হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
জানাজার নামাজে অংশ নিয়ে পাথর্শী ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আলম বাবলু বলেন, 'আব্দুল হাই মেম্বার আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলো। তাঁর অপ্রত্যাশিত মৃত্যু আমাদের অনেক ব্যথিত করেছে। তাঁর মৃত্যুতু আমরা গভীরভাবে শোকাহত।'
ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব বলেন, আব্দুল হাই মেম্বার উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য। তিনি এর আগে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সিনিয়র সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা জরুরি।'
পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম ঢালী বলেন, 'আব্দুল হাই মেম্বারের খুনিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে, যা করা দরকার, সেটাই করা হবে।'
উল্লেখ্য, বাড়ি থেকে বের হয়ে গত শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে বাড়ির অদূরে মলমগঞ্জ বাজার থেকে নিখোঁজ হন আব্দুল হাই। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের প্রজাপতি গ্রামে যমুনা নদীতে আব্দুল হাই মেম্বারের লাশ ভাসতে দেখে পান নদীতে মাছ ধরতে আসা মাঝিরা। পরে স্থানীয়দের দেওয়া খবর পেয়ে ইসলামপুর থানা-পুলিশ যমুনা নদী থেকে ভাসমান লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, 'আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গলায় মাফলার পেঁচানো আব্দুল হাইয়ের লাশ ছিলো। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।'
৪ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৪ দিন ১০ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৯ দিন ৬ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
১২ দিন ৪ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
১৩ দিন ৫ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
১৩ দিন ১৫ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১৩ দিন ১৫ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১৬ দিন ১৮ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে