কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে কলেজ ছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। রহস্য উদঘাটন হয়েছে
গত বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার হোসেনপুর পুমদী ইউনিয়নের জগলদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রায়হান একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের হাসিম উদ্দিনের ছেলে এবং হোসেনপুর ডিগ্রী কলেজ একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় পার্শ্ববর্তী গ্রামের রুহুল আমিনের মেয়ে সুমি আক্তারের সাথে তার দীর্ঘদিন ধরে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন সময় টাকা পয়সা এবং স্বর্ণ অলংকার হাতিয়ে নিয়েছে গত কিছুদিন আগে বিষয়টি পারিবারিকভাবে প্রকাশ হলে, ছেলের পক্ষ থেকে বিবাহর প্রস্তাব দেওয়া হয়,কিন্তু মেয়ের পক্ষ তা ফিরাইয়া দেয় তখন এক পর্যায়ে মেয়ের খালাতো ভাইয়ের সাথে বিবাহ ঠিক হয়ে যায়।
সোমবার এই সংবাদ পেয়ে আবু রায়হান মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে কিন্তু হঠাৎ করে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে সুমি আক্তার ফোন করে তার প্রেমিক আবু রায়হানকে বলে তাদের বাড়িতে আসার জন্য আবু রায়হান ফোন পেয়ে সুমিদের বাড়িতে যায়।
সুমিদের বাড়িতে যাওয়ার পর আবু রায়হানকে ঘরে নিয়ে দরজা মেরে বিভিন্ন ভাবে মারপিট করে এবং অপমান করে যে তুই মরে যা, এই মুখ কাউকে দেখাইস না, এমন কথা বলতে থাকে সুমি,আমি তোকে ভুলে গেছি, আবু রায়হান বলে তাহলে আমাকে ফোন করে আনলেন কেন, এর পর ও এভাবে ভয় প্রীতি দেখাতে থাকে এক পর্যায়ে তাকে রায়হানকে মারার প্রস্তুতি নেয় সুমির ফ্যামিলির লোকজন।
আবু রায়হান প্রাণ রক্ষাতে পালিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী জগদল গ্রামের করুল্লা মিয়ার বাড়িতে উঠে, একটি ফাঁকা ঘরে আশ্রয় নেয় আবু রায়হান, কিন্তু সেখানেও আবু রায়ানের ফোনে সুমি ভিডিও ফোন দেয়। ফোন দিয়ে বলতে থাকে তুই মরিস না কেন,, তোর মুখ কেমনে দেখাস তোর মুখ কখনো মানুষকে দেখাবি না। তুই ফাঁস লইয়া মরে যা, আবু রায়হান অপমান সহ্য করতে না পেরে ঘরের দরজা আটকিয়ে নিজের পরনের গেঞ্জি দিয়ে মুখ ডেকে ওই রুমে থাকা রশি দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে গলায় পাশ দিয়ে আত্মহত্যা করে।
আবু রায়হানের মা বাদী হয়ে একটি আত্মহত্যা-প্রচারণা ৬ জন আসামি করে আদালতে একটি মামলা দাখিল করে।
৫২০ দিন ১৭ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
৫২০ দিন ১৯ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৫৩৪ দিন ১৪ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৫৩৬ দিন ১৮ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৫৪১ দিন ২১ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৫৪২ দিন ২১ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে
৫৫৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৫৬৫ দিন ২১ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে