ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ কক্সবাজার ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ওপর দিয়ে আঘাত হানলেও বাংলাদেশের সকল উপকূলীয় এলাকা জলোচ্ছ্বাসের সম্মুখীন হবে। এর মধ্যে অন্যতম চারিদিকে সুন্দরবন ও নদী বেষ্টিত এলাকা উপকূলীয় এলাকা । এ অঞ্চলে ঝূঁকিপূর্ণ ও নিচু বেড়িবাঁধের কারণে উপকূলের বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হয়ে অতীতের মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। এই অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে সকলকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কয়রা সবুজ আন্দোলন।
আজ শুক্রবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।
কয়রা সবুজ আন্দোলনের সভাপতি ওবায়দুল কবির সম্রাট ও সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুবকর সিদ্দিক এর স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, সুপার সাইক্লোন সিডর, আইলা, মহসিন, বুলবুল, আম্ফান ও ইয়াসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিনিয়ত আঘাত হানে উপকূলীয় এই অঞ্চলে বার বার বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয় গোটা এলাকা। ষাটের দশকে নির্মিত দুর্বল বেড়িবাঁধ ভেঙে ও বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় উপকূলের জীবন ও জীবিকা। যে কারণে দীর্ঘদিন টেকসই বেড়িবাঁধের দাবি জানিয়ে আসছে উপকূলবাসী। কিন্তু দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ আসার খবরে উপকূলজুড়ে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় এলেই বাঁধ ভাঙন আতঙ্ক দেখা দেয় শিশু, নারী, পুরুষ, বৃদ্ধসহ সমগ্র উপকূলবাসীর মধ্যে। কারণ সরকারের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও অধিকাংশ এলাকায় টেকসই বাঁধ নির্মিত হয়নি। ষাটের দশকে নির্মিত বাঁধগুলোর অনেক স্থানই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। টেকসই বাঁধ নির্মাণে খুলনার কয়রার উপকূলের কয়েকটি এলাকায় মেগাপ্রকল্প নেওয়া হলেও তার বাস্তবায়ন শুরু হয়নি। ছোট ছোট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত তিন বছরে অনেকটা বাঁধ মেরামত করা হয়েছে। তবে রয়েছে নানা অভিযোগ। বাঁধের পাশের মাটি তুলে বাঁধে দেওয়া হয়েছে। এতে বাঁধের পাশের ভূমি দুর্বল হয়েছে। বাঁধ মেরামত করতে সেখানকার গাছ কেটে ফেলায় ঝুঁকি বেড়েছে।
১১ দিন ৮ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
১২ দিন ৭ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৫১ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
৬৭ দিন ১৫ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৮৪ দিন ১৯ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৮৭ দিন ১৫ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
১২৮ দিন ১১ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
১৩৩ দিন ১৫ ঘন্টা ১ মিনিট আগে