রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় গোপন সূত্রে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সক্রিয় চোর ও ছিনতাইকারী গ্যাংগের ৫ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় চুরি হওয়া ২টি ব্যাটারী,পাওয়ার প্যাক ১টি,লিফান ১০০সিসি মোটরসাইকেল,দোয়েল ল্যাপটপ ১টি ও লোনোভো ল্যাপটপ ১০টি উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার বিকালে মিঠাপুকুর থানায় সক্রিয় চোর ও ছিনতাইকারী এবং জব্দকৃত মালামাল নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করেন মিঠাপুকুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোস্তাাফিজার রহমান ।
প্রেস বিফ্রিং থেকে জানা যায়-বিআরডিবি অফিসের কর্মকর্তা ও শঠিবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে সাড়াশী অভিযান পরিচালনা করেন মিঠাপুকুর থানা পুলিশ। সাড়াশী অভিযান থেকে সক্রিয় চোর ও ছিনতাইকারী ৫জন কে গ্রেফতার করা হয়।জানা যায়-গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিঠাপুকুর বাজারে অবস্থিত রাঙ্গা মেসে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের চিতলী দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের পুত্র সৈকত রহমান(১৮)কে আটক করে জিঙ্গাসাবাদ করলে তার দেওয়া তথ্যে চুরি হওয়া ল্যাপটপের তথ্য প্রদান করেন। তার দেওয়া তথ্য মতে তাকে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় মিঠাপুকুর থানা ও রংপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ৫টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও চিতলী দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে রিয়াদ বাবুর(২০) তথ্যনুযায়ী গাজীপুর টঙ্গী পশ্চিম থানায় অভিযান পরিচালনা করে চোর গুরু রবিউল ইসলামের ভাড়া নেওয়া মেসের রুম হইতে চোরাই হওয়া ৪টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। পুরো ঘটনায় চোর সদস্যদের চিতলী দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত ইলিয়াছ আলীর ছেলে মেহেদী হাসান মারুফ(২৪),শাহআলমের ছেলে আবিদ মাহমুদ মাসুম(২৪) ও গিরাই দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে মঞ্জুর হোসেন টেক্কা(২৮)কে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এসময় মিঠাপুকুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান- আসামীরা সকলেই সংঘবদ্ধ চোর ও ছিনতাইকারী দলের সদস্য। তারা বিভিন্ন সময় বড় বড় অপরাধ কর্ম ও চুরি সংঘটিত করে পালিয়ে ঢাকায় আত্মরগোপন করে থাকেন। কিছুদিন পর আবার এলাকায় ফিরে এসে একই ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন। আসামীদের বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।