সুবর্ণোৎসবে আত্মস্মৃতি
মোকাররম হোসেন (শিহাব)
2020 ব্যাচ
বাকিরা যখন স্বর্ণ শিখরে - সম্ভাবনা সৃষ্টির খেলায়;
আমি তখনও অজ্ঞ ছিলাম - প্রায়োগিক অবধারণার বেলায়।
স্কুল জীবনের পদচিহ্ন গুলো - যতবার মনে করে যাই;
মধুর স্মৃতি আর দুষ্টমির বাইরে - মসৃণ অতীতগুলোকে খুঁজে বেড়াই।
নেভি ব্লু নাকি কালোপ্যান্ট? - এইসব নিয়ে ছিল যখন দ্বন্ধ;
আমি তখনো সাদা শার্টে - কাঁদা লাগিয়ে অন্ধ।
খেয়েছিলাম যে কত বেতের পিটুনি - এতেও ছিল যেমন মায়া;
শত ক্রোধের পরেও সরেনি - শিক্ষক বটবৃক্ষের ছায়া।
বেলায়েত স্যারের নব্বইটি সৃজনশীল বাড়ির কাজ - আর পলাশ স্যারের দেওয়া মুখস্ত জীববিজ্ঞান;
বাস্তব ক্ষেত্রে এসে বুঝেছিলাম - ছিল না সেসব আমাদের প্রতি রগচটা কোন অভিমান।
নুকুল স্যার রসায়ন পড়িয়েছেন ঠিক - রস পেয়েছি অন্যথায়;
ব্যাকরণ পড়ালেও উঠে আসে - ছোট হজুর স্যারের নামটি সেথায়।
ছিলেন আরো শিক্ষক যত - ঋণী করেছেন আমায় তত;
মানুষ গড়ার কারিগর তাঁরা - দীক্ষা নিয়েছি যে কত শত।
স্কুল ব্যাগটা ভারী হওয়ার ভয়ে - বই নিয়ে যেতাম খুব অল্প;
হয়তো ওই দিনগুলোর স্মৃতিই হবে - বৃদ্ধকালে নাতি নাতনিকে শুনানো কোন গল্প।
যে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতাম - একসাথে স্কুলের ক্লাসরুমে;
তাদের সাথে অন্তত আবার আড্ডা দিয়েছি - এলাকার চায়ের দোকানে।
তবে যার সাথে ছিল - ভালো মন্দ খোঁজ খবর নেওয়ার সম্পর্ক শুধু;
আফসোস একটাই - কথা হয়নি আর তার সাথে, পরে কবু।
একসময় যে বেঞ্চটিকে - দাবি করতাম আমার বলে;
সেই বেঞ্চটিই এখন আছে ঠিকই - বর্তমান কারও দখলে।
যে নামটি বলে ক্ষ্যাপালে তখন - পড়ে যেতাম ভীষণ সংকোচে;
সেই নামটি এখন শুনলে পরে - মুচকি হাসি অচিরে।
পাঁচ বছরের সেই রঙিন ধরায় - কোথাও ছিল ভীষণ কমতি;
বালিচাপা ইচ্ছেগুলোর বায়না না থামুক - এতেই আমার সম্মতি।
ক্লান্ত অবসরে মনে করি যখন - জীর্ণ সেই প্রাক্কলিক স্থিতির কথা;
'সাপুয়া উচ্চ বিদ্যালয়' তুমি - তুমিই আমার সেই অতীত আলিঙ্গনের ব্যাথা।
১৬ দিন ১০ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
২১ দিন ৭ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
২১ দিন ৭ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
২৩ দিন ৯ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
২৪ দিন ৬ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৯৮ দিন ১৫ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
১০৮ দিন ১২ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১১৩ দিন ১৪ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে