আর কয়েকদিন পরেই মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। কুরবানিতে পশু জবাই এবং মাংস কাটার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত হচ্ছে নানা রকম সরাঞ্জম। আর এসব তৈরি করতে গিয়ে কিছুটা ব্যস্ত সময় পার করছেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার কামাররা। তবে কয়লা ও লোহাসহ সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়া ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন কামারশিল্পীরা।বৃহস্পতিবার (২২ জুন) রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পশু কোরবানির জন্য দা, ছুরি, চাপাতিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে কামারপাড়ায় ঢুঁ মারছেন সাধারণ মানুষ। কেউ আসছেন ঘরে থাকা দা-বটি-ছুড়িতে শান দিতে। আবার কেউ আসেছেন নতুন করে তৈরি করতে।
একদিক দিয়ে চলছে হাঁপর টানা অন্যদিকে কয়লায় জ্বলছে লোহা। হাতুড়ি পিটিয়ে কামার তৈরি করছেন দা, বটি, ছুরিসহ মাংস কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৮০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন সাইজের দা, ছুরি,বটি, তৈরি করে দিচ্ছেন। চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। তবুও থেমে নেই তারা।
সকাল পেরিয়ে রাত পর্যন্ত চলছে হাতুড়ি পেটার কাজ। ঈদের দিন ভোরবেলা পর্যন্ত চলবে এমন ব্যস্ততা। তবে কয়লা, লোহাসহ সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হয় না। কিন্তু পূর্ব পুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান কামারশিল্পীরা।
উপজেলার রোয়াজারহাট, শান্তিরহাট, গোচরা বাজারের কামাররা বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করি আমরা। বছরের বেশিরভাগ সময় অলস এবং বেকার বসে থাকতে হয়। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে আমাদের জিনিসপত্রের কেনা-বেচা বেড়ে যায়। এ থেকে অর্জিত টাকায় সারা বছরের খোরাক জোগাড় করি।
গোচরা বাজারের কামারশিল্পী সুবাস বলেন, যতই দিন যাচ্ছে প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে মানুষ চলে যাচ্ছেন। বাইরের দেশের মাংস কাটার ছুরি, উন্নত মানের মাংস কাটার যন্ত্র, বিশেষ করে চায়না পণ্যের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। যার ফলে কামার পল্লীতে এখন কাজ দিন দিন কমে যাচ্ছে। বছরের বেশিরভাগ সময় কামার শিল্পীরা অন্য কাজ করে তাদের পরিবার চালান।
৭৮ দিন ১৩ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
১৯৪ দিন ১৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
২২৬ দিন ২০ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
২২৮ দিন ৩ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
২৬৪ দিন ১১ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
২৬৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
২৮১ দিন ১ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
২৮৫ দিন ২১ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে