দরজায় টুকা দিচ্ছে ঈদুল আজহা।ঈদ উপলক্ষে গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ১৯ হাজার পশু প্রস্তুত করেছেন স্থানীয় খামারিরা। উপজেলার ৮ ইউনিয়ন ও পৌরসভায় প্রায় ২ হাজার ১৮৫ টি ছোট বড় খামারে এসব গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি লাভের আশায় খামারের পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে পশুর বাড়তি যত্ন আর লালন পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও প্রান্তিক কৃষকেরা। উপজেলার চাহিদার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন হাটের চাহিদা পুরণ করে এখানকার গবাদি পশু।উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্র জানায়, এবার উপজেলায় কোরবানির পশুর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৬ হাজার। তবে খামারি ও প্রান্তিক কৃষক মিলে এবার ১৮ হাজার ৫৩৬টি কোরবানি যোগ্য পশু প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৩৫৩টি ষাঁড় ও বলদ ১ হাজার ৫০টি,গাভী ৩ হাজার ৩৬০টি,মহিষ ২১০টি,ছাগল ৬ হাজার ৩৫০টি ও ২১৩ টিভেড়া রয়েছে। পশু কেনাবেচার জন্য উপজেলার অসংখ্য বাজার রয়েছে। জানা গেছে, প্রতি বছর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার খামারি ও কৃষকরা গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত থাকেন। দেশে গত তিন বছর ভারত থেকে কোরবানির হাটে পশু কম আমদানি করায় দেশি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। খামারিরা ভালো লাভও করেছিলেন। তাই এ বছরও কোরবানিকে সামনে রেখে দেশি গরু ও ছাগল মোটাতাজা করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার খামারি ও কৃষকরা। এ বছরও ভারতীয় গরু না এলে বেশ লাভবান হবেন বলে আশা করছেন তারা।
জানা যায়, উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য হাটের মধ্যে গবাদি পশু বেচাকেনা হয়।উপজেলার বরমী,মাওনা,কেওয়া,শ্রীপুর, লহাই,টেপিরবাড়ির বাজার পশুর বাজারগুলো বড়। এসব বাজারে বিভিন্ন স্থান থেকে বেপারিরা এসে গরু কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে বিক্রি করেন। এছাড়া স্থানীয় বেপারিরা এলাকায় কৃষকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গরু কিনে তা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। বর্তমানে উপজেলার প্রায় ২৫শত মানুষ (খামারি, কৃষক ও বেপারিরা) এ পেশায় রয়েছেন। খামারি ছাড়াও উপজেলার সাধারণ কৃষকরা বাড়তি ইনকামের জন্য বাড়িতে একটি দুইটি করে গরু মোটাতাজা করেন। ঈদের সময় আকার ভেদে গত বছর প্রতিটি গরু ৫০ হাজার থেকে ১০লাখ টাকায় বিক্রি করেন এখানকার গবাদিপশুর খামারি ও কৃষকরা। টেংরা এলাকার প্রান্তিক খামারি নাজিম শেখ বলেন, এবার কোরবানির জন্য ৫টি গরু মোটাতাজা করেছি। তবে গত কয়েক মাস থেকে কয়েক দফা গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সে অনুযায়ী কোরবানির সময় পশুর উপযুক্ত দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম.আতিকুর রহমান বলেন,শ্রীপুরে উপজেলায় কোরবানির পশু উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে ২ হাজার ১০টি পশু উদ্ধৃত থাকবে যা পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাটে বিক্রি হবে।প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর খামার পরির্দশন করে খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শসহ ওষুধপত্রসহ উপজেলায় চিকিৎসা সুব্যবস্থা করা হয়েছে।তবে ভারত বা অন্য জেলা থেকে গরু না এলে খামারিরা লাভবান হবেন।
১ দিন ১৩ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১ দিন ২০ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
১০ দিন ১৪ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
৪৬ দিন ১৯ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
২০৪ দিন ১১ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
২০৫ দিন ৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
২২৭ দিন ২ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
২৩৫ দিন ২১ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে