গাজীপুরের শ্রীপুরে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট।সেই লক্ষ্যে উপজেলার কেওয়া বাজারে কোরবানির হাটে উঠেছে ৫৫ কেজি ওজনের ভারতের রাজ্যস্থানের নিয়তি তোতাপুরি একটি খাসি। তা দেখতে ছোটখাটো একটি গরুর সমান! এর দাম চাওয়া হয়েছে ৬৫ হাজার টাকা! বিদেশি জাতের খাসি পালন করে স্থানীয়দের চমকে দিয়েছে একজন দোকানি।
শুক্রবার কেওয়া পশু হাটে এই খাসিটিকে তোলা হলে একনজর দেখতে ভিড় করেছিলেন ক্রেতা-বিক্রেতাসহ বিপুল দর্শনার্থী। বিশেষ করে হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতাদের নজরের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল খাসিটি।এটাই ছিল বাজারের সবচেয়ে বড় খাসি।
খাসিটির মালিক উপজেলা মসজিদ মার্কেটের দোকানি শেখ হযরত আলী ১নং ওয়ার্ডের পৌর এলাকার শেখ আদব আলী ছেলে।খাসিটিকে শখ করে নাম রাখে ‘বুড়ি’।দুই বছর ধরে খাসিটি সে লালন-পালন করছে। ছাগল উচ্চতায় বড় এবং দেখতে সুন্দর হওয়ায় তার খাসিটি এলাকায় সাড়া ফেলেছে।
সরেজমিনে পশু হাটে গিয়ে দেখা যায়,হযরত বিশাল খাসিটি দড়ি ধরে দাড়িয়ে আছে পাশে ছিলো দুই নাতি।খাসিটি দেখতে অনেকে ভিড় করেছেন।তাঁর সাথে ভ্যাগ ভর্তি বিভিন্ন পাতাও ছিল।যা অতি যত্ন করে খাওয়াছিল খাসিটিকে।হাটে আসা অনেক ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা খাসিটিকে একনজর দেখতে ভিড় করছে। দর্শনার্থীরা এসে খাসিটির ছবি তুলছেন। অনেকে আবার এসে দাম জিজ্ঞাসা করছে।
হযরত বলেন,তিনি দুই বছর আগে নাটোরের হয়বতপুর হাট থেকে ২২ হাজার টাকায় ভারতের রাজ্যস্থানের নিয়তি তোতাপুরী জাতের খাসি কিনে এনেছিলেন। দুই বছর ধরে আমি খাসিটিকে লালন-পালন করে বড় করেছি।নাতি শখ করে নাম রাখি ‘’বুড়ি",। বুড়ি বলে ডাক দিলেই সে সাড়া দেয়। খাসিটিকে আমি খড়, ভুসি ও ঘাস খাওয়াই। এটিকে বিক্রির জন্য আজ হাটে তুলেছি। আমার সঙ্গে দুই নাতি এসেছেন। দাম চাচ্ছি ৬৫ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে ৪৫ হাজার টাকা দাম হয়েছে। ৫৫ টাকা হলে বিক্রি করে দেব।এর আগে একই জাতের খাসি ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করি।
হাটে আসা দর্শনার্থী কালাম পারভেজ বলেন, আমার এটাই মনে হলো বাজারের বড়ো খাসি। হাটে ঢুকতেই খাসিটি আমার নজর কাড়ে।
আরেক দর্শনার্থী রহমান বলেন,খাসিটি দেখতে মোটামোটি ছোটখাটো একটি গরুর সমান। আমি খাসির একটা ছবি তুলেছি।
হাটে খাসি কিনতে আসা ক্রেতা নাজিম শেখ বলেন, আমি কোরবানির জন্য একটি খাসি কিনতে হাটে এসেছি। হাটে বেশ কয়েকটি খাসি দেখলাম। তার মধ্যে বুড়ি নামের খাসিটি আকারে অন্য রকম।
হাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি মো.সেলিম বলেন, আজকে হাটে একটি বড় খাসি উঠেছে। খাসিটির ওজন ৫৫ কেজি হবে। বিক্রেতা ৬৫ হাজার টাকা দাম চাচ্ছে।
এদিকে সরকারি হিসাব মতে, উপজেলায় খামারি ও প্রান্তিক কৃষক মিলে এবার ১৮ হাজার ৫৩৬টি কোরবানি যোগ্য পশু প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৩৫৩টি ষাঁড় ও বলদ ১ হাজার ৫০টি,গাভী ৩ হাজার ৩৬০টি,মহিষ ২১০টি,ছাগল ৬ হাজার ৩৫০টি ও ২১৩ টি ভেড়া কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. এ.কে.এম.আতিকুর রহমান জানান, এ বছর উপজেলায় প্রায় ২ হাজার ২ শত খামারে ১৮হাজার ৫৩৬টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এ বছর উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে রোগাক্রান্ত পশু সনাক্ত ও চিকিৎসা সেবা প্রদানে ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
১ দিন ১৩ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১ দিন ২০ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
১০ দিন ১৪ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
৪৬ দিন ১৯ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
২০৪ দিন ১১ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
২০৫ দিন ৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
২২৭ দিন ২ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
২৩৫ দিন ২১ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে