প্রায় দের বছর আগে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর স্বামীকে মারধর ও শরিরে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে আহত হৃদয় হোসেন শ্রীপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বিধাই গ্রামের কামাল হোসেননের ছেলে হৃদয় হোসেনের সাথে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের শাজাহান হোসেনের মেয়ে স্মৃতি আক্তারের সাথে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক গত ২০২০সালের ১২ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বছর খানেক সংসার করার পর দুজনের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে কাবিনের সকল পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে যৌথ তালাকের মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন।

এবিষয়ে হৃদয় হোসেন জানান, তালাকের পর থেকে শশুর বাড়ির লোক জনের বিভিন্ন ভাবে আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসতে থাকে এরই সুত্র ধরে ২০২৩ সালের ৬জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধায় মাওনা পাথার পাড়া এলাকায় আমাকে রাস্তায় বেরিগেট দিয়ে এলোপাতারি মারধর শুরু করে মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে এবং আমার শরিরে এসিড নিক্ষেপ করে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় চাপদিয়ে ধরে। পরে আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারিরা পারিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমি শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হই। এবিষয়ে তিন জনের নাম উল্লেক করে এবং ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত নামা অভিযোক্ত করে শ্রীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়রে করি।
অভিযোক্তরা হলেন, উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের আলফানের ছেলে শাজাহান হোসেন (৩৭),শাজাহানের মেয়ে স্মৃতি আক্তার (২০),ও শাজাহানের স্ত্রী ঝর্না আক্তার (৩৫)।