তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভার মাহালী পাড়ায় নীতিমালা ও ইট পোড়ানো আইন লঙ্ঘন এবং লোকালয় হুমকিতে ফেলে তিন ফসলী জমিতে ফাইভ স্টার ইট ভাটা গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার ধারে ইট ভাটা গড়ে
উঠায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কয়লার পরিবর্তে
পোড়ানো হচ্ছে কাঠ ও শিশুদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। এছাড়াও ইট তৈরীর কাজে সেচ পাম্পের পানি ও ফসলী জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি(টপসয়েল) ব্যবহার করায় জমির উর্বর শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। তারা বলেন, ফাইভ স্টার ইট ভাটার দূষণ সন্ত্রাসে কৃষির ওপর বিরুপ প্রভাব পড়ছে।
এদিকে লোকালয় ও তিন ফিসলী জমিতে ইট ভাটা গড়ে উঠায় আশপাশের জমিতে ফসল উৎপাদন ব্যাহত এবং পরিবেশের ওপর বিরুপ প্রভাব পড়ছে। প্রতিনিয়ত ফসলের মাঠ থেকে জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপসয়েল) কেটে নেয়া হচ্ছে। এতে করে ফসলী জমির উর্বর শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে উৎপাদনমূখী ফসলের ওপর। এলাকার কৃষক ও সচেতন মহল ইট ভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান অভিযানের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, ফাইভ স্টার ইট ভাটার কোনো লাইসেন্স নেই। নেই পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র। তারা বলেন, প্রশাসনের একশ্রেণীর কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার যোগসাজশে ইট ভাটা মালিক দীর্ঘদিন ধরে ইটের ব্যবসা করে চলেছে। অন্যদিকে সরকারি
নিয়মনীতি উপেক্ষা করে অধিক মুনাফা করতে নিজেদের ইচ্ছেমতো ইটের ওজন ও সাইজ তৈরী করে কারচুপি করছে বলেও তারা অভিযোগ তুলেছে।
এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, বছরের পর বছর চাষাবাদ করায় ফসলের
অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে মুল উর্বরা শক্তি বাড়তে থাকে। কিন্তু জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কেটে নিয়ে যাওয়ার কারণে জমিতে বিদ্যমান উর্বরা শক্তি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে, যা ফিরে পেতে অনেক সময় লাগবে। তিনি বলেন, টপসয়েলের নিচের অংশে চাষাবাদ করলে প্রচুর পরিমানে রাসায়ানিক ও
জৈবসার প্রয়োগ করলেও আবার উর্বরা করে পূর্বের অবস্থায় ফিরতে কম পক্ষে দশ থেকে বার বছর সময় প্রয়োজন।
এব্যাপারে ইট ভাটার মালিক শামসুল আলম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সারাদেশে যেভাবে ইট ভাটা চলছে তারাও সেভাবে চালাচ্ছেন। এব্যাপরে রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, এসব বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৯৪ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৩০৬ দিন ২০ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৩০৭ দিন ২১ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৩১৪ দিন ১৬ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৩১৫ দিন ১৫ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৩১৬ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৩২১ দিন ১৫ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৩৩৭ দিন ১৬ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে