◾ চাকরি ডেস্ক
গ্র্যাজুয়েশন শেষে প্রত্যেকের চিন্তা থাকে তার চাকরি নিয়ে। তবে চাকরি খোঁজা নিয়ে প্রায়ই ভুল করেন নতুনরা। আর এই ভুলগুলোর কারণে অনেকে সময়মতো চাকরি পায় না। তবে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই সহজে চাকরি বাজারে দাপট দেখাতে পারবেন আপনিও।
◾১. লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন থাকেন না। এ কারণে দেখা যায়, গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে চাকরি নিয়ে তাদের বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত দ্রুত নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে চাকরি খোঁজা। এ ছাড়া যারা বর্তমানে চাকরিতে আছেন তাদেরও উচিত বন্ধের দিনগুলোতে নতুন চাকরির সন্ধানে থাকা। এতে আরও ভালো পজিশনে চাকরি পাওয়া যাবে।
◾২. নেটওয়ার্ক তৈরি করুন
চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন ও পুরাতন উভয়ের জন্যই নেটওয়ার্ক তৈরি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সুইজারল্যান্ডের অ্যাডেক্কো গ্রুপের এক গবেষণায় দেখা যায়, চাকরি করছেন এমন ২৯ শতাংশ লোক নিজেদের বেশিরভাগ সময়ই নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যয় করেছেন। সে সুবাদে চাকরিও পেয়েছেন তারা। এ ছাড়া ৭০ শতাংশ চাকরিই নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমেই পাওয়া যায়।
এ জন্য শিক্ষার্থীদের উচিত চাকরির জন্য শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা। এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় ট্রলিংয়ের পেছনে সময় নষ্ট না করে ওই সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরিরতদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক স্থাপন করা উচিত। এতে তারা খুব সহজেই চাকরি পেতে পারেন।
◾৩. সহশিক্ষা কার্যক্রম বাড়ান
সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানই অনভিজ্ঞদের নিজের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে চায় না। তাই গ্র্যাজুয়েশনের পর চাকরির আশায় বসে না থেকে উচিত কোনো এক প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করা। এতে অভিজ্ঞতা বাড়বে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন। পরে এই অভিজ্ঞতাকেও চাকরিজীবনে ব্যবহার করা যেতে পারে। ধরুন আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, সেখানে যুক্ত থেকে আপনি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। এ ছাড়া নেতৃত্ব প্রদানেরও একটা অভিজ্ঞতা এখান থেকে অর্জন করতে পারেন, যা ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে পারবেন।
◾৪. দক্ষতা বাড়ান
বর্তমান সময়ে কোনো প্রতিষ্ঠানই চায় না যেকোনো ব্যক্তিকে পুরো প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজ করাতে। তাই কাজের দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এ ছাড়া নিজের দক্ষতা বাড়ানোকে কাজের ক্ষেত্রে স্মার্টনেস ধরা হয়। চাকরির বাজারে দক্ষ ব্যক্তিদের চাহিদা অনেক। তাই যতটুকু সম্ভব প্রযুক্তি ও সময়ের সঙ্গে নিজের দক্ষতা বাড়ান।
◾৫. কভার লেটারে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন
চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কভার লেটার খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা আপনাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য পছন্দ করা নির্ভর করবে আপনার সিভি ও কভার লেটারের ওপর। সেখানে আপনি যত ভালোভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবেন চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ততই সহজ হবে।
নিউইয়র্কের ক্যারিয়ার কোচ লরি রাসাস বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীরা তাদের কভার লেটারে পছন্দ, শখ ও লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন। তারা পুরো কভার লেটারে নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে লেখেন না। তবে চাকরিপ্রত্যাশীদের উচিত কভার লেটারে নিজেদের দক্ষতা দিয়ে কীভাবে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যপূরণ করতে পারে তা উল্লেখ করা।
৩০ দিন ১৪ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৮১ দিন ১৮ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৯৩ দিন ১৫ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
১১৪ দিন ১৩ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
১২৬ দিন ১৫ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১২৯ দিন ১৪ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
১২৯ দিন ১৯ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১৩৫ দিন ৪ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে