হালুয়াঘাটে ‘জৈব কৃষি বিষয়ক’ ফলো-আপ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত একশ’ পৌরসভা-উপজেলায় প্রার্থী দিল এনসিপি কুড়িগ্রামে বিশ্ব মা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানবাধিকার ও জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন। ইবনে সিনা ট্রাস্ট ও মাছরাঙ্গা কমিউনিকেশনের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত ধামরাইয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা দুর্গাপুরে কালবৈশাখী গাছ ভেঙে ঘর তছনছ। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বৃদ্ধা বেগমগঞ্জ সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে চুরির হিড়িক মায়ের আঁচলই শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়... শান্তিগঞ্জে ধানবোঝাই ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের নোয়াখালীতে গ্যারেজে চলছিল চোরাই অটোরিকশা বেচাকেনা, গ্রেপ্তার ৫ কৃষি জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রি, ফসল উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা সুবিপ্রবি-মাউন্ট এডোরার স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি পুলিশ উদ্ধার করল সামিরের ঝুলন্ত লাশ আসন্ন বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এনসিপির মনোনয়ন পেলেন ইয়াহিয়া জিসান তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন স্থাপনা-জাহাজে হামলার হুমকি ইরানের শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব মা দিবসে সাংবাদিক জামাল কাড়ালের মায়ের রোগমুক্তি কামনা কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে নিহত পরিবারের সংবাদ সম্মেলন নলতায় ডেয়ারি কারখানায় গভীর রাতে হামলার অভিযোগ

কুরবানিকে সামনে রেখে টুং টাং শব্দে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে রাংগুনিয়ার কামাররা

রাংগুনিয়ারর কামার



আর কয়েকদিন পরেই মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। কুরবানিতে পশু জবাই এবং মাংস কাটার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত হচ্ছে নানা রকম সরাঞ্জম। আর এসব তৈরি করতে গিয়ে কিছুটা ব্যস্ত সময় পার করছেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার কামাররা। তবে কয়লা ও লোহাসহ সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়া ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন কামারশিল্পীরা।বৃহস্পতিবার (২২ জুন) রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পশু কোরবানির জন্য দা, ছুরি, চাপাতিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে কামারপাড়ায় ঢুঁ মারছেন সাধারণ মানুষ। কেউ আসছেন ঘরে থাকা দা-বটি-ছুড়িতে শান দিতে। আবার কেউ আসেছেন নতুন করে তৈরি করতে।


একদিক দিয়ে চলছে হাঁপর টানা অন্যদিকে কয়লায় জ্বলছে লোহা। হাতুড়ি পিটিয়ে কামার তৈরি করছেন দা, বটি, ছুরিসহ মাংস কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৮০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন সাইজের দা, ছুরি,বটি, তৈরি করে দিচ্ছেন। চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। তবুও থেমে নেই তারা।

সকাল পেরিয়ে রাত পর্যন্ত চলছে হাতুড়ি পেটার কাজ। ঈদের দিন ভোরবেলা পর্যন্ত চলবে এমন ব্যস্ততা। তবে কয়লা, লোহাসহ সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হয় না। কিন্তু পূর্ব পুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান কামারশিল্পীরা।

উপজেলার রোয়াজারহাট, শান্তিরহাট, গোচরা বাজারের কামাররা বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করি আমরা। বছরের বেশিরভাগ সময় অলস এবং বেকার বসে থাকতে হয়। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে আমাদের জিনিসপত্রের কেনা-বেচা বেড়ে যায়। এ থেকে অর্জিত টাকায় সারা বছরের খোরাক জোগাড় করি।

গোচরা বাজারের কামারশিল্পী সুবাস বলেন, যতই দিন যাচ্ছে প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে মানুষ চলে যাচ্ছেন। বাইরের দেশের মাংস কাটার ছুরি, উন্নত মানের মাংস কাটার যন্ত্র, বিশেষ করে চায়না পণ্যের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। যার ফলে কামার পল্লীতে এখন কাজ দিন দিন কমে যাচ্ছে। বছরের বেশিরভাগ সময় কামার শিল্পীরা অন্য কাজ করে তাদের পরিবার চালান।

আরও খবর