সরকারি চাকরি নিয়ে নতুন তথ্য, মন্ত্রণালয়ের চিঠি প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তির অর্থের পরিমাণ বাড়ছে হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরানের নতুন প্রস্তাব বৈধ কাগজপত্র ছাড়া যানবাহনে জ্বালানি না দেওয়ার নির্দেশ, কাল থেকে ভ্রাম্যমান আদালত ‎পলাশে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও বকেয়া বিল আদায় অভিযান কৃষকরা কি দেশের প্রাণ? ‎শ্রীমঙ্গলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে সনদ বিতরণ কালাইয়ে মাদক মামলায় যুবকের জেল ও জরিমানা রায়পুরে তেলের সংকট নিরসনে ইউএনও’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা, ফুয়েল কার্ড চালুর সিদ্ধান্ত ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শ্যামনগরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৩৭৬ জন ‎সুন্দরবনে ১১ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ, তদন্তে কোস্ট গার্ড শার্শার বাগআঁচড়ায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রির অপরাধে ফিলিং স্টেশন কতৃপক্ষকে জরিমানা! ববি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ডিজিটাল মিডিয়া ল্যাব উদ্বোধন নওগাঁর নিয়ামতপুর ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যকে মারধর মোটরসাইকেল আরোহীর গ্রেফতার ঝিনাইগাতীতে আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে প্রাথমিক বৃত্তি শুরু, পরীক্ষায় ২৬৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত। ঈশ্বরগঞ্জে পেট্রোলের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে স্পিকারের বিস্ফোরক মন্তব্য সরকার ১৮০ দিনের কর্মসূচির আলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ভুমিহীন,গৃহহীন বিধবা ছালেকার সংসার চলে ভিক্ষাবৃত্তিতে,জুটেনি কোন ভাতার কার্ড

লাখাইয়ে ভূমিহীন, গৃহহীন বিধবা ছালেকার  সংসার চলে ভিক্ষাবৃত্তিতে,জুটেনি কোন ভাতার কার্ড।  লাখাই  উপজেলার সিংহগ্রাম  এর মৃত মকবুল  হোসেন  স্ত্রী  ছালেকা খাতুন স্বামীর মৃত্যর পর থেকে ভিক্ষাবৃত্তিতে  অতি কষ্ঠে দিনাতিপাত করছে।


স্থানীয় ও বিধবা ছালেকার  সাথে আলাপকালে  প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় ছালেকার  স্বামী মকবুল  মিয়ার নিজের  ভিটে বাড়ীতে  যৎসামান্য  জমি জমা ও স্বামীর  আয়- রোজগারে কোন মতে সংসার  চলছিল। তার রয়েছে ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে। যথাসময়ে  ছেলেমেয়েদের বিয়েও দেন।বিয়ের পর ছেলেরা তাদের ছেড়ে চলে যায় যে যার মতো।এদিকে বৃদ্ধ  স্বামীর  আয়- রোজগার  না থাকায়  শেষ বয়সে এসে জীবন নির্বাহ করতে ভিটেমাটিটুকু বিক্রি করতে হয়।হয়ে পড়েন  ভূমিহীন। এরই মধ্য বছর দশেক পূর্বে স্বামী মকবুল  হোসেনও পরপারে চলে যান। এতে সালেকা পড়েন বিপদে।নিরুপায়  হয়ে আশ্রায়  নেন একই গ্রামের তাউস মিয়ার বাড়ীতে।  বর্তমানে  ষাটোর্ধ  ছালেকা অন্যের বাড়ীতে থেকে ভিক্ষা  করে যা আয় হয় তা দিয়ে অনাহারে ও অর্ধাহারে অতিকষ্টে দিনাতিপাত  করছে।


ছালেকা  জানান আমি শুনেছি  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার  সরকার গরীব অসহায়  ভূমিহীনদের ঘর দিচ্ছে।আমি সরকার এর কাছে একটি ঘর চাই,যাতে মরার সময় নিজের ঘরে মরতে।সে আরো জানান যেখানেই ঘর দেওয়া হোকনা কেন আমি যেতে চাই।মাথা গোঁজার ঠাঁই  চাই। এপর্যন্ত  কোন প্রকার ভাতা বা সাহায়্যের কার্ড পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে জানান আমি গরীব আমাকে কে কার্ড দিবে। ভোট আসলে অনেকে আশ্বাস দেয় পরে আর খোঁজ রাখেনা কেউ।তাই এ নিয়ে ভাবিনা।যতদিন  শরীর চলে এ ভাবেই চলতে চাই।


ছেলেরা  খোঁজ নেয় কিনা জানতে চাইলে জানান তারা কে কোথায় থাকে জানিনা।কারন বাড়ী- ঘর থাকলে হয়তো আসতো। এ ব্যাপারে  উপজেলা নির্বাহী  অফিসার মোঃ শরীফ উদ্দীন  সাথে আলাপকালে  জানান নতুন করে বরাদ্দ এলে তাঁকে একটি ঘর দেওয়ার  চেষ্টা  করব।



আরও খবর