নাগেশ্বরীতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কাউন্সিলিং অনুষ্ঠিত ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরার রাজকীয় মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন মামী বিয়ে করলেন ভাগনেকে, প্রবাস থেকে মামা দেশে ফিরে আত্মহত্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান, তত্ত্বাবধায়ক ক্লোজড জাল-নৌকা নিয়ে ঘাটে জেলেদের ভিড়, চলছে প্রকৃত জেলে শনাক্তের কার্যক্রম খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাত্রদলের প্রেস বিজ্ঞপ্তি আক্কেলপুরে গলায় দড়ি দিয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল লালপুরে আবারও গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার লালপুরে ১৬ বছরের কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেফতার ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তি। লালপুরে পদ্মার চরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩ দেওয়ানগঞ্জের সানারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে ধার করা টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা, ৩ আসামি গ্রেফতার বাঘা উপজেলা প্রশাসনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের আরও ১০ জেলায় রেল সংযোগ চালু করা হবে : রেলমন্ত্রী শ্যামনগরে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভা একনেকে ৫ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৭০০৩ কোটি টাকা ক্ষেতলাল সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা মিরসরাইয়ের বামনসুন্দর ফকির আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত সমাজসেবক শরফু উদ্দীন মিরসরাইয়ে শাহ সূফী মুফতী মাওলানা ছেরাজুল ইসলাম (র.)-এর পাঠদানের পদ্ধতি শীর্ষক আলোচনা সভা

টেলিফোনে বিবাহ

Md Nazmul Hasan ( Contributor )

প্রকাশের সময়: 29-10-2023 02:27:15 pm

টেলিফোনে বিবাহ ( Marriage over telephone)

আধুনিক যুগে অনেকে বিবাহ টেলিফোনে সম্পন্ন করে থাকেন। অনেক সময় দেখা যায় চাকুরী বা ব্যবসায়ের কারণে বর বিদেশে অবস্থান করছেন এবং কনে দেশে বসবাস করছেন। বর ও কনের অভিভাবকরা সাধারণত এই ধরনের বিবাহের আয়োজন করে থাকেন। বিবাহের আগে বর বা কনের একে অপরের সাথে দেখা-সাক্ষাতও হয়... না। হয়ত টেলিফোনের মাধ্যমে একে অপরের সাথে কথা বলে থাকেন। মুসলিম আইনে এই বিবাহ সঠিক কিনা এ নিয়ে অনেকে বিভিন্ন রকম কথা বলে থাকেন। এই ধরনের বিবাহের আইনগত বৈধতা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন করেন ।


সাধারণ কথায় মুসলিম আইনে বিবাহ হচ্ছে একটি দেওয়ানী চুক্তি। কোনরূপ অনুষ্ঠান পালন ছাড়াই একটি বিবাহ অনুষ্ঠিত হতে পারে। বিবাহ করতে বিশেষ কোন আচার অনুষ্ঠান পালন বাধ্যতামূলক নয়। তবে একটি মুসলিম বিবাহে কিছু শর্ত পালন করতে হয়। এগুলো হচ্ছে-


ক) বিবাহের এক পক্ষ কর্তৃক বিবাহের ইজাব বা প্রস্তাব করতে হবে এবং অপর পক্ষ কর্তৃক তা কবুল বা গ্রহণ করতে হবে।


খ) হানাফী মাযহাব অনুসারে প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন কমপক্ষে দু'জন সাক্ষী থাকতে হবে। সাক্ষীদ্বয়ের দু'জনই পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দু'জন মহিলা হতে হবে । তবে শিয়া মাযহাব অনুসারে সাক্ষীর প্রয়োজন নেই।


গ) বিবাহের সময় উচ্চারিত শব্দাবলী অবশ্যই স্পষ্ট এবং দ্বর্থহীন হতে হবে।


ঘ) বিবাহের পক্ষদ্বয়কে অবশ্যই সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন ও প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। কনের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং বরের বয়স ২১ বছর হতে হবে।


ঙ) প্রস্তাব এবং উহার গ্রহণ একই বৈঠকে উচ্চারিত হতে হবে।


টেলিফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিবাহে যদি উপরোক্ত শর্তসমূহ পালন করা হয় তবে উক্ত বিবাহ বৈধ বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ টেলিফোন বিবাহে বর অথবা কনে একপক্ষ বিবাহের প্রস্তাব বা ইজাব করবে এবং অপর পক্ষ তা গ্রহণ বা কবুল বলবে, পক্ষদ্বয় হানাফী মাযহাবের হলে বিবাহে সাক্ষী উপস্থিত থাকবে, শিয়া মাযহাবের হলে সাক্ষীর প্রয়োজন নেই, বিবাহের সময় উচ্চারিত শব্দাবলী অবশ্যই স্পষ্ট এবং দ্বর্থহীন হবে, পক্ষদ্বয় প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন হবে এবং প্রস্তাব ও গ্রহণ একই বৈঠকে (টেলিফোনের এক প্রান্ত থেকে সাক্ষীদ্বয়ের উপস্থিতিতে প্রাপ্তবয়স্ক বর বা কনে একজন বিয়ের প্রস্তাব করবে এবং অপরজন তা কবুল বলবে) উচ্চারিত হবে।


তবে টেলিফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিবাহে যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না হয় তাহলে স্ত্রী বেশ কিছু সুবিধা লাভ থেকে বঞ্চিত হয়। ধরা যাক, টেলিফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত একটি বিবাহ রেজিষ্ট্রি করা হয়নি। বিবাহের পরবর্তী স্বামীর সাথে স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় স্ত্রী তার অধিকার আদায়ে আদালতে গেলে তেমন কোন সুবিধা পাবেন না। কারণ বিবাহ রেজিষ্ট্রি না করায় স্ত্রীর কাছে বিবাহের কোন কাবিননামা বা ডকুমেন্ট থাকে না। কাবিননামা না থাকায় স্বামী বিবাহটি অস্বীকার করতে পারে। ফলে স্ত্রী তার আইনগত অধিকার লাভ থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই টেলিফোনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি বিবাহ রেজিষ্ট্রি হওয়া জরুরী। অন্যথায় আদালতে এই ধরনের বিবাহ প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে এ ধরনের বিবাহের আইনগত কোন বৈধতা থাকে না।

আরও খবর