প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি কাকে নিয়ে নির্বাচন করবে? নির্বাচন করলে তাদের নেতা কে? কাকে প্রধানমন্ত্রী করবে? কাকে দিয়ে মন্ত্রিসভা করবে? বিএনপি চেয়ারপারসন(খালেদা জিয়া), সে তো এতিমের টাকা আত্মসাতের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। আর এখন তো অসুস্থ। ওরা (বিএনপি) জানে নির্বাচন করলে ওরা কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। ২০১৮ নির্বাচনে তো মাত্র ২৯টা সিট পেয়েছিল। এখন তাদের অপকর্মের জন্য মানুষ আরও বিমুখ।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলহত্যা দিবসের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বিএনপির যেই অগ্নিসন্ত্রাস, তাদের যে বীভৎস চেহারা, তারা যে পিটিয়ে পিটিয়ে পুলিশ হত্যা করে। একটা নিরীহ পুলিশ চাকরি করে, তার কী অপরাধ ছিল। যে তাকে এতো অমানবিকভাবে হত্যা করল। এবং এটা শুধু একবারই না ২০১৩ সালে একই ঘটনা তারা ঘটিয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচাল করার জন্য একই ঘটনা ঘটিয়েছে, এরপর ২০১৫ তেও একই ঘটনা। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা, আগুন পোড়ানো, গাড়ি, অফিস-আদালত, রেল-লঞ্চ কি বাদ দিয়েছে তারা, সবই আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। হাজার হাজার গাছ কেটে একটা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ যখনই প্রতিরোধ করেছে, তখনই তারা থেমে গিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, সময় এসে গেছে, জনগণকে অগ্নিসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। অগ্নিসন্ত্রাসীরা যে যেখানেই থাকুক, যারাই আগুন দেবে, জনগণের উপর অত্যাচার করবে, সাথে সাথে জনগণকেই প্রতিরোধ করতে এগিয়ে আসতে হবে। কারও উপর নির্ভর করলে চলবে না। জনগণকেই এগিয়ে আসতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালে ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল আমাদের জাতীয় চার নেতাকে। কারাগার সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গা, এই কারাগারই ঢুকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ড চালায়। আমি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।
ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলার নিন্দা না জানানোয় বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনের মানুষ কতটা দুর্দশার মধ্যে আছে। হামলায় কত মানুষ মারা যাচ্ছে। নারী-শিশুরাও রক্ষা পাচ্ছে না। এ বিষয়ে তারা চুপ করে আছে। তাদের কোনো প্রতিবাদ দেখেছেন?
প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, তারা কাদের পদলেহন করে বাড়াবাড়ি করছে? তারা কাদের স্বার্থ দেখে, এটাই আমার প্রশ্ন।
ফিলিস্তিনিদের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষের জন্য সাহায্য পাঠিয়েছি। তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে আমাদের অবস্থান।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন মায়া বীরবিক্রম, সিমিন হোসেন রিমি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ নজরুল ইসলামের মেয়ে ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।
৫ দিন ৩ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৫ দিন ৩ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৬ দিন ১৬ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৬ দিন ১৯ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৭ দিন ১৩ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৭ দিন ১৬ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে