বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ দুর্ভোগ কমাতে মৌতলায় ২০ শয্যার হাসপাতাল চান এলাকাবাসী আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে কৃষ্ণনগরে জমজমাট ফুটবল টুর্নামেন্ট নাগেশ্বরীতে উপজেলা বিএনপির বিশেষ মতবিনিময় সভা: ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব পরিদর্শন ও ক্লাবের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকার অনুদান দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই — প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর, প্রস্তুতি নিচ্ছে দিল্লি পলাশের ডাঙ্গায় দীর্ঘ দুই বছর পর পুলিশ ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন নন্দীগ্রামে ডা. লিটনের প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যখাত ফিরে পেয়েছে নতুন গতি ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা আবু সাইদের আগাম নির্বাচনী জনসভা আশাশুনির বুধহাটা-পাইথালী সড়কের বেহাল দশা, জনভোগান্তি চরম ‎সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী শিকার ও বনজ সম্পদ ধ্বংস হ্রাস: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণ শ্রীমঙ্গলে চুরি ও মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে ৬ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত নারী ও প্রতিবন্ধীর মাঝে গরু বিতরণ বেগমগঞ্জ বন কর্মকর্তা সামছু উদ্দিনের দুর্নীতির তদন্তে দুদক বরিশালের উন্নয়নে পাশে থাকতে চায় নেদারল্যান্ডস রাগ-অভিমান নয়, মানবিকতা ও সৌহার্দ্যই হোক সাংবাদিকতায় পথচলার শক্তি---প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। কমর আলী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় একজনের ফাঁসি, দুজন খালাস সিআইডি পরিচয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, নোয়াখালীতে সাবেক সেনা-নৌ সদস্যসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

কুলিয়ারচরের দক্ষিণ সালুয়ায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 16-07-2026 06:46:56 pm

মোঃ ফরমান উল্লাহ, বিশেষ প্রতিনিধি


কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সালুয়া গ্রামে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে একাধিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দক্ষিণ সালুয়া।

দক্ষিণ সালুয়া গ্রামটি ইউনিয়নের মধ্যে সকল দিক থেকে অবহেলিত। উক্ত গ্রামে জনগনের চলাচলের জন্য নেই কোন পাকা রাস্তা। কাঁচা রাস্তা যতটুকু আছে তাও চলাচলের অনুপযোগী।  পাশাপাশি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অবহেলিত দক্ষিণ সালুয়ার সহস্রাধিক শিশু। 

বাংলাদেশকে বৃটিশ শাসন করেছে দুইশত বছর,পাকিস্তান ২৪ বছর এবং স্বাধীন বাংলাদেশ শাসন করেছে ৫৪ বছর। শতশত বছর পার হলেও দক্ষিণ সালুয়া বাসির ভাগ্যে জুটেনি কোন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এটাকে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ও বলা চলে এ জনপদের মানুষের জন্য। দেশ স্বাধীন হয়েছিল যে মৌলিক অধিকার পাওয়ার আশায় দক্ষিণ সালুয়ার জনগন তা পায় নি। শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে অন্যতম। আর এ অন্যতম অধিকার থেকে শতশত বছর বঞ্চিত হচ্ছে দক্ষিণ সালুয়ার জনগন।

এ গ্রামের কোমলমতি শিশুরা বাড়ি থেকে ২/৩ কিলোমিটা দূরে পায়ে হেঁটে অন্য গ্রামের বিদ্যালয়ে যেতে হয়।এতে করে শিক্ষার প্রতি শিশুরা আগ্রহ হারিয়ে  ফেলে। ফলে তাদের লেখাপড়া থেমে যায় শুরু থেকেই। 

২০০২ সালে দক্ষিণ সালুয়ার ইউপি সদস্য মোঃ জামাল উদ্দিন( সৈয়দ হোসেন) এর উদ্যোগে     বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা "পপি" এর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় দক্ষিণ সালুয়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। "পপি"র শিক্ষা প্রকল্প শেষ হওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়টি নামে মাত্রই রয়ে গেছে দক্ষিণ সালুয়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করার জন্য প্রশাসনের নিকট থেকে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় নি। 

উক্ত বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দাতা মোঃ আব্দুর রাশিদ। তিনি গ্রামের শিশুদের শিক্ষা গ্রহণের জন্য নিজের ক্রয়কৃত জমি স্বেচ্ছায় দান করে দিয়েছেন।  

দক্ষিণ সালুয়ার কৃতি সন্তান মানবতার ফেরীওয়ালা নামে পরিচিত সালুয়া ইউনিয়ন ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম জানান বিদ্যালয়টি অবহলিত অবস্থায় রয়েছে। তিনি জানান যে কয়জন শিক্ষক এখানে স্বেচ্ছা শ্রম দিচ্ছেন তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারী কোন সুযোগ-সুবিধা না থাকায় অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগনও হতাশা গ্রস্ত হয়ে তাদের সন্তান অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছেন। অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের শিক্ষাজীবন বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে করে দক্ষিণ সালুয়া গ্রামটি শিক্ষার দিক থেকে অনেক পিছিয়ে পড়েছে।


বিদ্যালয়টি সরকারী না হলেও জরাজীর্ণ একটি ঘরে স্থানীয় এবং জাতীয় নির্বাচনের কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

দক্ষিণ সালুয়া বাসির দাবী দক্ষিণ সালুয়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করে অত্র গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া। তারা জানান বিদ্যালয়টি সরকারী করা হলে আমাদের সন্তানেরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির অগ্রগতিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে।  তাই বিদ্যালয়টি সরকারীকরণ করার জোর দাবী জানাচ্ছি।

"সবার জন্য শিক্ষা" এই স্লোগান বাস্তবায়ন করতে দক্ষিণ সালুয়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সরকারীকরণ করা সময়ের দাবী।
আরও খবর




6a7b62f9f0415-110826115921.webp
জুলাই অভ্যুত্থান দমনে ৩ লাখ গুলি ব্যবহার

৩ দিন ১৩ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে