১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ভঙ্গুর অর্থনীতির মাঝেও ইতিহাস গড়ার আশাবাদ: লালপুরে প্রতিমন্ত্রী পুতুলের শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত বকশীগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত রত্নাই বগুলাবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের জমি উদ্ধারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ পানি নিস্কাশনের পথ খোলায় পাঁচবিবির দুই ইউনিয়নের হাজারো কৃষকের মুখে হাসি লালপুরে পাট কাটায় ব্যস্ত কৃষক, ভালো ফলন ও দামে স্বস্তি ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত শ্রীবরদীতে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের সোনালি আঁশ ২০ টাকার লটারির টিকিটে ৩০ লাখ টাকা জিতল রায়পুরে বিয়ে বাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩ শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী নিয়ামতপুরে এক কেজি গাঁজাসহ ৬০ বছরের ব্যক্তি গ্রেপ্তার আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ রেখে যেতে হবে: তারেক রহমান এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ সোমবার সকাল ১০টায় ভ্রমণ যখন হয়ে ওঠে সহায়তার হাত, ট্যুরিস্ট ক্লাব সাস্ট এর ব্যতিক্রমী প্রয়াস সেনবাগে ‘মা মঞ্জিল’ নিয়ে চাঞ্চল্য, মালিকের ছত্রছায়ায় কয়েক বছর ধরে চলছে দেহ ব্যবসা শ্রীমঙ্গলে বিএনপির দুর্দিনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর পাশে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজু

দুর্গাপুর শহরে লাগানো সব সিসি ক্যামেরাই অকেজো

দুর্গাপুর শহরে লাগানো সব সিসি ক্যামেরাই অকেজো


চুরি, ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধ দমনে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫৮টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। তবে বর্তমানে সব ক্যামেরাই অকেজো হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, ২০২০ সালের জুলাই মাসে পৌর শহরের হাট-বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। ক্যামেরা ছিল মোট ৫৮টি।

তার ব্যয় ছিল ১০ লাখ টাকা। আর এই সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোলরুম রাখা হয়েছিল পৌরসভায়। তবে বছরখানেক পরেই বিভিন্ন স্থানের সিসি ক্যামেরা বিকল হতে শুরু হয়। এখন এগুলো আর কোনো কাজেই আসে না।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পৌর শহরের পুলিশ মোড়, কাছারি মোড়, এমপির মোড়, প্রেস ক্লাব মোড়, কলেজ মোড়, এমকেসিএম স্কুল মোড়, কালিঘর মোড়, কাঁচাবাজারসহ আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পিলারের সঙ্গে দৃশ্যমান ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাগুলো নষ্ট হয়ে আছে। এগুলো মেরামতের কোনো উদ্যোগও নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ। এতে শহরে চুরি সংঘটিত হলেও এখন তা শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। নিরাপত্তাব্যবস্থারও বিঘ্ন ঘটছে।

পৌরসভার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেশ কয়েকবার ক্যামেরাগুলো মেরামত করা হলেও কোনোভাবেই টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলে অনেক সুবিধা আছে। অনেক সময় দোকানের সামনে ক্রেতারা এসে মোটরসাইকেল রেখে দেয়। কেনাকাটার ফাঁকে এগুলো চুরি হওয়ার ভয় থাকে। তা ছাড়া ক্যামেরার কারণে অপরাধ করতে অপরাধীরা ভয় পায়।

সিসি ক্যামেরা থাকলে একটু নিশ্চিত থাকা যায়। শহরে ক্যামেরাগুলো সচল রাখা জরুরি।’ পৌরসভার মেয়র মাওলানা আব্দুস ছালাম বলেন, ‘ক্যামেরাগুলো মেরামত করা হলেও টিকিয়ে রাখা যায়নি। আবারও সচল করার জন্য আলোচনার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag
আরও খবর