এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাতীয় নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের গণসংযোগ কুলিয়ারচরে ভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন নড়িয়ায় জেন্ডার স্টেরিওটাইপ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর উদ্যোগে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় যুব সেমিনার অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে গাঁজাসহ আটক সাইদুলের ৪ মাসের কারাদণ্ড। ঈশ্বরগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত লাখাইয়ে দেশি মাছের সংকট,শুঁটকি উৎপাদনকারীরা বিপাকে ডোমারে হাবিবুল হক দুলাল মাস্টার স্মরণে শোকসভা ডোমারে জেলা প্রশাসকের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা মোংলায় তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় ডুবল ১২০০ টন কয়লাবোঝাই কার্গো ডোমারে আওয়ামী লীগের ৩ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে যুবকে গুলি আশাশুনিতে নারীর আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি সম্পর্কিত সভা উলিপুরে ট্রেনে কাটা পরে বৃদ্ধার মৃত্যু লোহাগড়ায় গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ" কোর্সের উদ্ধোধন ঝিনাইগাতীর নকশী সীমান্ত থেকে ১৪৭ বোতর ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার নালিতাবাড়ীর সিবিও নেতৃবৃন্দের জামালপুরের উন্নয়ন সংঘের সীডস প্রকল্প পরিদর্শন মাঝ নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবে নিখোঁজ দুই জেলে ইসরায়েলে ভোট আজ, চ্যালেঞ্জের মুখে নেতানিয়াহু

বৈরি আবহাওয়ায় দেশে বিমান অবতরণে সক্ষমতা বাড়ছে;

কক্সবাজারসহ দেশের চার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি-২ এ উন্নীত করা হচ্ছে।


শীতকালে ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে আকাশ পথের যোগাযোগ। দৃষ্টিসীমা কমে আসায় ঝুঁকি সৃষ্টি হয় ফ্লাইট ওঠানামায়। শীত প্রধান দেশগুলোর পাশাপাশি অনেক দেশেই ফ্লাইট দেরি ও বাতিল হয় হাজার হাজার ফ্লাইট। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালেও নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি একই প্রভাব পড়ে।


মূলত পাইলট খালি চোখে রানওয়ে দেখতে না পারলে নিরাপদ ওঠানামায় বিমানবন্দরে ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আবহাওয়ার বৈরিতায় আইএলএস ক্যাটাগরি-৩ প্রয়োজন হলেও দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে ব্যবহার হচ্ছে ক্যাটাগরি-১।

 

এতে বিমান ওঠানামা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বৈরি মৌসুমে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের পাশাপাশি প্রভাব ফেলে আন্তর্জাতিক রুটেও। এমন পরিস্থিতিতে দেশের শাহজালালসহ ৪টি বিমনাবন্দরে আইএলএস ক্যাটাগরি-১ থেকে আপগ্রেড করা হচ্ছে ক্যাটাগরি-২ এ। উন্নীত হচ্ছে লাইটিং সিস্টেমও।

 

আইএলএস পদ্ধতি ক্যাট-২ এ উন্নীত হলে কিছুটা দৃষ্টিসীমা বাড়বে পাইলটের। তবে রানওয়ে শতভাগ দৃশ্যমান হবে না বলে জানায় খোদ বেবিচক।

 

সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান জানান,

বিমানবন্দরগুলোতে বর্তমানে আইএলএস ক্যাটাগরি-১ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ পদ্ধতি ক্যাটাগরি-২ তে উন্নীত করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট বিমানবন্দরে ব্যবহার করা হবে। এতে বাড়বে পাইলটদের দৃষ্টিসীমা।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শতভাগ দৃষ্টিসীমা পেতে হলে বসাতে হবে আইএলএস ক্যাটাগরি-৩। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ নাফিস ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, আইএলএস ক্যাটাগরি-৩ রানওয়ে করলে শতভাগ দৃষ্টিসীমার সুযোগ পাবে পাইলটরা।

তবে বিপরীত মন্তব্য বেবিচকের। সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান জানান, কোনো দেশেই শতভাগ দৃষ্টিসীমা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

 

উড়োজাহাজ অবতরণ করার ন্যূনতম দৃষ্টিসীমা পাঁচশ মিটার। আইএলএস ক্যাটাগরি-২ এ আপগ্রেড করা হলে দেশের চার বিমানবন্দরে মিলবে এ সুবিধা। তবে শীতে অনেক সময় দৃষ্টিসীমা ৫০ থেকে শূন্য মিটারে নেমে আসায় দ্রুত আইএলএস ক্যাটাগরি-৩ এ উন্নীত করার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

Tag
আরও খবর